ঢাকা    সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা    সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
গণবার্তা

শেরপুরে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

শেরপুরে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

শেরপুর সদর উপজেলায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ এবং গর্ভপাতের অভিযোগে সুন্নত আলী সন্তু (৬০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কাউছার মিয়া (২৪) কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, শেরপুর পৌর শহরের একটি মহল্লায় শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে আসামি সন্তুকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা আদালতের মাধ্যমে শনিবার (২৩ মে) বিকেলে আসামি সন্তুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত

ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, শিশুটিকে বিভিন্ন সময় স্থানীয় শাহিন মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়া ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে শিশুটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

শিশুটির শারীরিক গঠনে পরিবর্তন হলে কাউসার মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় গর্ভপাত করান। গর্ভপাতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি মহল চাপ প্রয়োগ করে।

মায়ের আকুতি

শুক্রবার (২২ মে) শিশুটির মা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। শিশুটির মা জানান, ‘আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে। আবার গর্ভপাত করান, এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে আমার মেয়ে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

হাসপাতালের অবস্থা

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার তাহেরাতুল আশরাফী বলেন, ‘১২ বছরের একটি কন্যাশিশুকে গাইনি ওয়ার্ডে গতকাল ভর্তি করা হয়েছে। যেহেতু এটি একটি পুলিশ কেস, তাই আমরা কিছুটা অপেক্ষা করছি। মেডিকেল বোর্ড বসে পরবর্তী বিষয়গুলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

অন্তঃসত্ত্বার বিষয়ে এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘আগামীকাল বিস্তারিত বলা যাবে। আর বাকি বিষয়গুলো মেডিকেল বোর্ড গঠনের পর জানানো হবে। তার চিকিৎসা চলমান।’

এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক মহল দ্রুত বিচার ও অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


শেরপুরে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image
শেরপুর সদর উপজেলায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ এবং গর্ভপাতের অভিযোগে সুন্নত আলী সন্তু (৬০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কাউছার মিয়া (২৪) কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, শেরপুর পৌর শহরের একটি মহল্লায় শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে আসামি সন্তুকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা আদালতের মাধ্যমে শনিবার (২৩ মে) বিকেলে আসামি সন্তুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, শিশুটিকে বিভিন্ন সময় স্থানীয় শাহিন মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়া ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে শিশুটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।শিশুটির শারীরিক গঠনে পরিবর্তন হলে কাউসার মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় গর্ভপাত করান। গর্ভপাতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি মহল চাপ প্রয়োগ করে।মায়ের আকুতিশুক্রবার (২২ মে) শিশুটির মা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। শিশুটির মা জানান, ‘আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে। আবার গর্ভপাত করান, এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে আমার মেয়ে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’হাসপাতালের অবস্থাশেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার তাহেরাতুল আশরাফী বলেন, ‘১২ বছরের একটি কন্যাশিশুকে গাইনি ওয়ার্ডে গতকাল ভর্তি করা হয়েছে। যেহেতু এটি একটি পুলিশ কেস, তাই আমরা কিছুটা অপেক্ষা করছি। মেডিকেল বোর্ড বসে পরবর্তী বিষয়গুলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’অন্তঃসত্ত্বার বিষয়ে এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘আগামীকাল বিস্তারিত বলা যাবে। আর বাকি বিষয়গুলো মেডিকেল বোর্ড গঠনের পর জানানো হবে। তার চিকিৎসা চলমান।’এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক মহল দ্রুত বিচার ও অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা