প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
বুড়িচংয়ে শিশু ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ডা
নিউজ ডেস্ক ||
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ধর্ষণের পর উম্মে হাবিবা মীম নামে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে হত্যার দায়ে ময়নাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হান্নান এ রায় দেন।রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ময়নাল জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।২০২১ সালের নৃশংস ঘটনাআদালত ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে আসামি ময়নাল হোসেন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু উম্মে হাবিবা মীমকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে পলিথিনে পেঁচিয়ে শিশুটির মরদেহ একটি টয়লেটের ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঐ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তার দেখানো মতে মরদেহটি উদ্ধার করে।পাঁচ বছর পর রায়মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী বদিউল আলম সুজন বলেন, এ মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। তবে আসামির আইনজীবী ও স্বজনদের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।নিহতের মায়ের প্রতিক্রিয়ামামলার বাদী নিহত শিশুর মা বলেন, ‘দীর্ঘ ৫ বছর পর আমার মেয়ে হত্যার বিচার পেয়েছি। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’ তিনি রায় কার্যকর করার দাবি জানান।দ্বিতীয় শ্রেণির ছোট্ট মীমকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পাঁচ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের রায় এল। ধর্ষণ ও হত্যার পর টয়লেটের ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল শিশুটির মরদেহ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ায় নিহতের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করলে তা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত রায় কার্যকর হবে না। শিশু নির্যাতনের এ মামলার রায় উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে আশা করছেন আইনজীবীরা।
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা