প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকারা
গণবার্তা প্রতিবেদনঃ ||
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে দুই দেশের বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ২৩তম ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ অধিবেশনের ফাঁকে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি উঠে আসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেদ্দায় ২৩তম ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ অধিবেশনের ফাঁকে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়। এ সময় সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লেখা একটি চিঠি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তুলে দেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে।বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব সফরের ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গটিও উল্লেখ করেন।সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ জানান, সৌদি আরবের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ অন্যতম। তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশে সৌদি কোম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণে রিয়াদের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি সৌদি আরবের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান।বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজারে সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী ও প্রধান রেমিট্যান্স উৎস। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতার দরজা খুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা