ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ঢাকা    বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
গণবার্তা

ইরানি যুদ্ধবিমানকে পার্কিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান

ইরানি যুদ্ধবিমানকে পার্কিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা থেকে রক্ষা পেতে ইরান তাদের সামরিক বিমান পাকিস্তানের ঘাঁটিতে সরিয়ে নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তবে পাকিস্তান এই তথ্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরান তাদের একাধিক সামরিক বিমান পার্ক করে। এর মধ্যে রয়েছে আইআরজিসির আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং লকহিডের তৈরি সি-১৩০ পরিবহন বিমান।

এপ্রিলের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর তেহরান এসব বিমান পাকিস্তানে পাঠায়। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হলেও পরবর্তী সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের মূল্যবান সামরিক সম্পদ রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেয় ইরান।

পাকিস্তান ইরানকে এই সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেছে। তবে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, নূর খান ঘাঁটিটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকার মাঝখানে অবস্থিত। সেখানে ইরানি যুদ্ধবিমান নামলে তা লুকানোর কোনো সুযোগ থাকত না।

এ খবরে ওয়াশিংটনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের নিরপেক্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকা পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে আফগানিস্তান বলছে, ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক বিমান কিছু সময় কাবুল বিমানবন্দরে পার্ক করা ছিল। আফগান বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধ শুরুর কিছুক্ষণ আগে ওই বিমান কাবুলে অবতরণ করেছিল। তবে আফগানিস্তানে ইরানের কোনো সামরিক বিমান আনা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরান, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও এ বিষয়ে তিন দেশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। 

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


ইরানি যুদ্ধবিমানকে পার্কিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা থেকে রক্ষা পেতে ইরান তাদের সামরিক বিমান পাকিস্তানের ঘাঁটিতে সরিয়ে নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তবে পাকিস্তান এই তথ্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরান তাদের একাধিক সামরিক বিমান পার্ক করে। এর মধ্যে রয়েছে আইআরজিসির আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং লকহিডের তৈরি সি-১৩০ পরিবহন বিমান।এপ্রিলের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর তেহরান এসব বিমান পাকিস্তানে পাঠায়। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হলেও পরবর্তী সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের মূল্যবান সামরিক সম্পদ রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেয় ইরান।পাকিস্তান ইরানকে এই সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেছে। তবে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, নূর খান ঘাঁটিটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকার মাঝখানে অবস্থিত। সেখানে ইরানি যুদ্ধবিমান নামলে তা লুকানোর কোনো সুযোগ থাকত না।এ খবরে ওয়াশিংটনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের নিরপেক্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকা পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে আফগানিস্তান বলছে, ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক বিমান কিছু সময় কাবুল বিমানবন্দরে পার্ক করা ছিল। আফগান বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধ শুরুর কিছুক্ষণ আগে ওই বিমান কাবুলে অবতরণ করেছিল। তবে আফগানিস্তানে ইরানের কোনো সামরিক বিমান আনা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরান, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও এ বিষয়ে তিন দেশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। 

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা