ঢাকা    মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
গণবার্তা
সর্বশেষ

সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হলেন ডিআইজি আলি আকবর খান

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছেন ডিআইজি আলি আকবর খান। সোমবার (১ জুন) পুলিশ সদর দফতর থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘ডিআইজি আলি আকবর খান সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় সিআইডি পরিবার গভীর উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। তার নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি ও পেশাদারিত্বের আলোকে সিআইডির চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও সময়োপযোগী হয়ে উঠবে, এ প্রত্যাশা সব সদস্যের।’কর্মজীবন১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানকারী আলি আকবর খান ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ পুলিশের এ কর্মকর্তা তার কর্মজীবনে রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ অধিদফতর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কাজ করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।ডিআইজি আলি আকবর খানের নেতৃত্বে সিআইডির কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছে পুলিশ প্রশাসন।
৫ ঘন্টা আগে

আইএলও সম্মেলনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে সম্মেলনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান।আজ মঙ্গলবার (২ জুন) জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।শ্রম অধিকার, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারসংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনকে আইএলওর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশি প্রতিনিধির এ নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।সহ-সভাপতি হিসেবে যাঁরা দায়িত্ব পালন করছেনএবারের সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক সুরক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী জুয়ান কাস্টিলো। সহ-সভাপতি হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করবেন বাংলাদেশের নাহিদা সোবহান, আর্জেন্টিনার জেরার্দো মার্তিনেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন কফম্যান।আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিবাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের মতে, এই নির্বাচন বৈশ্বিক শ্রম ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ, শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশের অঙ্গীকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন।এছাড়া শ্রম খাতে উদ্ভূত নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের ভূমিকারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে।বাংলাদেশের ভূমিকাসহ-সভাপতির দায়িত্বে থেকে বাংলাদেশ আইএলওভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতৈক্য গড়ে তুলতে এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।প্রতি বছর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে বৈশ্বিক শ্রমবাজারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এবারের অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।
৯ ঘন্টা আগে

তারকাখচিত দল নিয়ে বিশ্বকাপে সেনেগাল, মানের নেতৃত্বে আক্রমণভাগ

বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে সেনেগাল। ফিফার নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে কোচ পাপে থিয়াও প্রাথমিক ২৮ সদস্যের দল থেকে দুই ডিফেন্ডার মোস্তফা মবো ও ইলকাই কামারাকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল দিয়েছেন।গত ২১ মে ঘোষিত প্রাথমিক দলে ছিলেন মবো ও কামারা। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে রোববার (৩১ মে) প্রীতি ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছিল মবোর। শার্লটে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ৩-২ গোলে হেরেছিল সেনেগাল। অন্যদিকে তিনবারের আন্তর্জাতিক ফুটবলার কামারা ছিলেন অব্যবহৃত বদলি।আক্রমণভাগে মানে ও অন্যান্য তারকাচূড়ান্ত দলে জায়গা ধরে রেখেছেন সেনেগালের সবচেয়ে বড় তারকা সাদিও মানে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে দুই গোল করেছিলেন তিনি। অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন দেখছে আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দলটি। অনেকের মতে, বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া ১০টি আফ্রিকান দলের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগগুলোর একটি রয়েছে সেনেগালের।তারকা ফরোয়ার্ড সাদিও মানের সঙ্গে আক্রমণভাগে আরও আছেন ইসমাইলা সার, ইলিমান এনদিয়ায়ে, আসানে দিয়াও, ইব্রাহিম এমবায়ে, নিকোলাস জ্যাকসন, বাম্বা দিয়েং ও শেরিফ এনদিয়ায়ে।শক্তিশালী ডিফেন্স ও মিডফিল্ডদলের ডিফেন্সের নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ কালিদু কুলিবালি। তার সঙ্গে আছেন ক্রেপিন দিয়াত্তা, আন্তোয়ান মেন্ডি, এল হাজি মালিক দিয়ুফ, মামাদু সার, মুসা নিয়াখাতে, আবদুলায়ে সেক ও ইসমাইল ইয়াকবস। মিডফিল্ডে ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, লামিন কামারা, হাবিব দিয়ারা, পাথে সিস, পাপে মাতার সার ও বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে।বিশ্বকাপের সূচিবিশ্বকাপে সেনেগালের যাত্রা শুরু হবে ১৬ জুন নিউ জার্সিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এটা হবে ২০০২ বিশ্বকাপের সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের পুনরাবৃত্তি, যেখানে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল সেনেগাল। গ্রুপ ‘আই’-এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২২ জুন একই ভেন্যুতে নরওয়ের মুখোমুখি হবে থিয়াওয়ের দল। এরপর ২৬ জুন টরন্টোতে ইরাকের বিপক্ষে খেলবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ।সেনেগালের বিশ্বকাপ দল:গোলরক্ষক: এদুয়ার্দো মেন্দি, মোরি দিয়াও, ইয়েভান দিয়ুফ।ডিফেন্ডার: ক্রেপিন দিয়াত্তা, আন্তোয়ান মেন্ডি, কালিদু কুলিবালি, এল হাজি মালিক দিয়ুফ, মামাদু সার, মুসা নিয়াখাতে, আবদুলায়ে সেক, ইসমাইল ইয়াকবস।মিডফিল্ডার: ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, লামিন কামারা, হাবিব দিয়ারা, পাথে সিস, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে।ফরোয়ার্ড: সাদিও মানে, ইসমাইলা সার, ইলিমান এনদিয়ায়ে, আসানে দিয়াও, ইব্রাহিম এমবায়ে, নিকোলাস জ্যাকসন, বাম্বা দিয়েং ও শেরিফ এনদিয়ায়ে।
৯ ঘন্টা আগে
‘গোমাতা স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’, কোরবানিতে গরু উৎসর্গকারীদের হুঁশিয়ারি যোগী আদিত্যনাথের

‘গোমাতা স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’, কোরবানিতে গরু উৎসর্গকারীদের হুঁশিয়ারি যোগী আদিত্যনাথের

গরুকে ভারতের ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার মতে, নতুন করে গরুকে আর জাতীয় পশু ঘোষণার প্রয়োজন নেই।সোমবার (১ জুন) উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন যোগী আদিত্যনাথ।তিনি বলেন, ‘যেসব বোকা তরুণ কোরবানির ঈদের দিন গোমাতার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছে তাদের প্রতি পরামর্শ—এগুলো বন্ধ করুন। নয়ত তাদের এমন পরিণতি ভোগ করতে হবে যা কয়েক প্রজন্ম মনে রাখবে। গোমাতা হলো স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা। গোমাতাকে নিয়ে এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়ার কিছু নেই।’পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটচলতি বছর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা গরু কোরবানি দেননি। ঈদের আগে কঠোরতার কারণে গরু কোরবানি থেকে বিরত ছিলেন তারা। শুধু তাই নয়, মুসলিমরা জানান, গরুকে যেন জাতীয় পশু ঘোষণা করা হয়।পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের গরু কোরবানি না দেওয়ার বিষয়টি পুরো ভারতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ রাজ্যটিতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে এমন পরিস্থিতি কখনো তৈরি হয়নি।যোগী আদিত্যনাথের এই মন্তব্য কোরবানি ও গরু প্রসঙ্গে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হলেন ডিআইজি আলি আকবর খান

সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হলেন ডিআইজি আলি আকবর খান

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছেন ডিআইজি আলি আকবর খান। সোমবার (১ জুন) পুলিশ সদর দফতর থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করা হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘ডিআইজি আলি আকবর খান সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় সিআইডি পরিবার গভীর উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। তার নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি ও পেশাদারিত্বের আলোকে সিআইডির চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও সময়োপযোগী হয়ে উঠবে, এ প্রত্যাশা সব সদস্যের।’কর্মজীবন১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানকারী আলি আকবর খান ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ পুলিশের এ কর্মকর্তা তার কর্মজীবনে রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ অধিদফতর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কাজ করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।ডিআইজি আলি আকবর খানের নেতৃত্বে সিআইডির কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করছে পুলিশ প্রশাসন।
৫ ঘন্টা আগে
‘গোমাতা স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’, কোরবানিতে গরু উৎসর্গকারীদের হুঁশিয়ারি যোগী আদিত্যনাথের

‘গোমাতা স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’, কোরবানিতে গরু উৎসর্গকারীদের হুঁশিয়ারি যোগী আদিত্যনাথের

গরুকে ভারতের ‘স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার মতে, নতুন করে গরুকে আর জাতীয় পশু ঘোষণার প্রয়োজন নেই।সোমবার (১ জুন) উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন যোগী আদিত্যনাথ।তিনি বলেন, ‘যেসব বোকা তরুণ কোরবানির ঈদের দিন গোমাতার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছে তাদের প্রতি পরামর্শ—এগুলো বন্ধ করুন। নয়ত তাদের এমন পরিণতি ভোগ করতে হবে যা কয়েক প্রজন্ম মনে রাখবে। গোমাতা হলো স্বঘোষিত রাষ্ট্রমাতা। গোমাতাকে নিয়ে এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়ার কিছু নেই।’পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটচলতি বছর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা গরু কোরবানি দেননি। ঈদের আগে কঠোরতার কারণে গরু কোরবানি থেকে বিরত ছিলেন তারা। শুধু তাই নয়, মুসলিমরা জানান, গরুকে যেন জাতীয় পশু ঘোষণা করা হয়।পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের গরু কোরবানি না দেওয়ার বিষয়টি পুরো ভারতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ রাজ্যটিতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে এমন পরিস্থিতি কখনো তৈরি হয়নি।যোগী আদিত্যনাথের এই মন্তব্য কোরবানি ও গরু প্রসঙ্গে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ এএম
আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেড় মাসে নিহত ৪৩৯

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেড় মাসে নিহত ৪৩৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা) হাম ও হামের উপসর্গে নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে এবং ১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হামে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৮ জন।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় মাসে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৭০ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৬৯ জন।একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৭ হাজার ৩০৫ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৫৪ হাজার ৪১৯ জন।ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানিস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। বিভাগটিতে হাম ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৯২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৯ হাজার ৪৮১ জন।নিবিড় পর্যবেক্ষণে সরকারহামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের সন্তানের জ্বর, সর্দি ও র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। সময়মতো টিকা নিলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৪ মে ২০২৬
ব্যাংকের সিদ্ধান্ত রাস্তার আন্দোলন দিয়ে হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র

ব্যাংকের সিদ্ধান্ত রাস্তার আন্দোলন দিয়ে হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, ব্যাংকের কোনো সিদ্ধান্তই রাস্তার কোনো আন্দোলনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে না। যে কোনো ইস্যুতে যে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির বিক্ষোভ প্রদর্শন বা মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ারও এখতিয়ার আছে। আন্দোলনে নয়, আইন মেনেই সিদ্ধান্ত হবে।গতকাল সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। আরিফ হোসেন খান জানান, যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও আছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো আবেগ, চাপ বা আন্দোলনের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ও আইনগত বিধান অনুসারেই সিদ্ধান্ত নেবে।তিনি বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি ব্যাংকের পরিচালক হতে পারেন না। ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে একজন ব্যক্তির তিন কোটি টাকার খেলাপি ঋণ থাকার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে উঠে আসা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী খেলাপি অবস্থায় কারও পরিচালক পদে থাকার সুযোগ নেই এবং নিয়োগের আগে এসব বিষয় যাচাই করা বাধ্যতামূলক।ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় ব্যাংকের বোর্ড সভা সরাসরি না করে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে (জুমে) আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভবনের বাইরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হলেও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট—কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিংবা কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনের সময় কোনো রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়লে তা সরাসরি গভর্নরকে জানাতে বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে গভর্নর নিজেই বিষয়টি মোকাবিলা করবেন।আরিফ হোসেন খান বলেন, কোনো ব্যাংককে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়। কোনো ব্যাংক যদি একটি বিশেষ রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে, তাহলে তা ব্যাংকটির স্থায়িত্ব ও টেকসই পরিচালনার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিক্ষোভ ও কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যালোচনা করছে কোনো ব্যাংক বিশেষ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সংকটে পরিণত হচ্ছে কি না।বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, কোনো ব্যাংকই কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না এবং রাজনৈতিক পরিচয় একটি ব্যাংকের অস্তিত্বের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্ব ব্র্যান্ডের অর্ডার ফেরাতে গার্মেন্টস জোন করার পরিকল্পনা

বিশ্ব ব্র্যান্ডের অর্ডার ফেরাতে গার্মেন্টস জোন করার পরিকল্পনা

০৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে উল্কা বিস্ফোরণে সৃষ্টি হয় ‘সনিক বুম’

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে উল্কা বিস্ফোরণে সৃষ্টি হয় ‘সনিক বুম’

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের আকাশে প্রকাণ্ড একটি উল্কাখণ্ড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর প্রায় ৩০০ টন টিএনটি বিস্ফোরকের সমপরিমাণ প্রচণ্ড শক্তি উৎপন্ন করে সশব্দে বিস্ফোরিত হয়েছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা এই বিরল মহাকাশীয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।আনুমানিক ৩ মিটার চওড়া এই মহাজাগতিক পাথরটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার পর বাতাসের তীব্র ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে এবং একটি বিশাল আলোর ঝলকানি সৃষ্টি করে বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট প্রচণ্ড শব্দ বা ‘সনিক বুম’ পুরো অঞ্চল জুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়।কী ঘটেছিলশনিবার (৩০ মে) মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৬ মিনিটে নিউ ইংল্যান্ড এবং ম্যাসাচুসেটসের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আকাশে এই তীব্র আলোর ঝলকানি ও বিস্ফোরণটি ঘটে। বিশেষ করে বোস্টন শহরের বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিস্ফোরণের অসংখ্য বিবরণ প্রকাশ করেছেন।অনেক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে সেটির কম্পনে তাদের ঘরবাড়ি পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।নাসার তথ্যমহাকাশ সংস্থার ডেপুটি নিউজ চিফ জেনিফার ডুরেন ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, এই উল্কাটি বর্তমানে সক্রিয় থাকা কোনো সাধারণ উল্কাবৃষ্টির অংশ ছিল না, বরং এটি সম্পূর্ণ একটি প্রাকৃতিক বস্তু ছিল। তিনি স্পষ্ট করেন যে এটি মানবসৃষ্ট কোনো মহাকাশ বর্জ্য বা কৃত্রিম উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ ছিল না।নাসার তথ্য অনুযায়ী, মহাকাশ শিলাটি যখন ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০ মাইল (৬৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় বিস্ফোরিত হয়, তখন সেটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ হাজার মাইল বা ১ লাখ ২০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। বায়ুমণ্ডলে এই আকস্মিক ভেঙে যাওয়ার সময় যে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়েছিল তা প্রায় ৩০০ টন টিএনটি-র সমান, যা মূলত এই ভয়াবহ শব্দের সৃষ্টি করেছে।বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণআমেরিকান মেটিওর সোসাইটির ফায়ারবল প্রোগ্রাম মনিটর রবার্ট লুনসফোর্ড মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে জানিয়েছেন, দেলাওয়ার থেকে মন্ট্রিয়ল পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের বাসিন্দাদের কাছ থেকে তারা এই দ্বি-স্তরের বিস্ফোরণের শব্দের ডজন খানেক সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এটি স্বাভাবিক উল্কার চেয়ে আকারে বেশ বড় ছিল।পাথরটির গতিপথ ও গতিবেগ বিশ্লেষণ করে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এর বেশিরভাগ অংশই মাটিতে পড়ার আগে সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদি কোনো অংশ অবশিষ্ট থেকে থাকে তবে তা সোজা আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।স্যাটেলাইটে ধারণ করা হয়েছেনোয়া-এর অত্যাধুনিক ‘গোয়েস-১৯’ স্যাটেলাইটও এই অদ্ভুত আলোর ঝলকানি নিখুঁতভাবে ক্যামেরাবন্দী করেছে, যা কোনো বজ্রঝড়ের আলো ছিল না। মহাকাশ বিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ নিক স্টুয়ার্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, বোস্টনের আকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত এই আলোর ঘনত্ব বিশ্লেষণ করে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি একটি অতি শক্তিশালী বোলিড বা উল্কার পুনঃপ্রবেশের ঘটনা ছিল।মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা আরও স্পষ্ট করেছে, সাধারণত ভূগর্ভের একটি নির্দিষ্ট স্থানে ঘটা ভূমিকম্পের চেয়ে এই আকাশীয় সনিক বুমের ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন, কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের একটি সরল রৈখিক পথ ধরে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।নাসা স্পেস অ্যালার্টের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, নিউ ইংল্যান্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার অসংখ্য মানুষ এই বিরল মহাজাগতিক আলোর ঝলকানি ও তীব্র বিস্ফোরণের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সাক্ষী হয়েছেন।সূত্র: এনডিটিভি, সিএনএন
৯ ঘন্টা আগে
নাগরিকত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া ভিসা শর্তের পরিপন্থি: মার্কিন দূতাবাস

নাগরিকত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া ভিসা শর্তের পরিপন্থি: মার্কিন দূতাবাস

ক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশটিতে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া এখন থেকে ভিসার শর্তের পরিপন্থি হিসেবে গণ্য হবে। এমন উদ্দেশ্যে কেউ ভিসা আবেদন করলে তা সরাসরি বাতিল করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।বুধবার সকালে দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।কী বলছে দূতাবাসের সতর্কবার্তাদূতাবাসের পোস্টে উল্লেখ করা হয়, কোনো ব্যক্তি যদি মূলত সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে তা দেশটির বর্তমান ভিসা নীতিমালার পরিপন্থি।কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি সাক্ষাৎকার বা তদন্তের মাধ্যমে বুঝতে পারেন যে আবেদনকারীর মূল লক্ষ্য সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব অর্জন, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে।সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, এ ধরনের কার্যক্রম মার্কিন ভিসা নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন। তাই আবেদনকারীদের শুধু প্রকৃত এবং সঠিক উদ্দেশ্য উল্লেখ করে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।কঠোর সতর্কতাভিসা পাওয়ার জন্য ভুল তথ্য প্রদান বা ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থাৎ, কেউ যদি এ উদ্দেশ্যে ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেন এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে পরবর্তীতে তার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নিলে সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে সে দেশের নাগরিক হয় – এই সুযোগ কাজে লাগাতে অনেকেই আগে ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে সন্তান প্রসব করতেন। এখন থেকে সেই পথ কার্যকরীভাবে বন্ধ করে দিলো মার্কিন দূতাবাস। শুধু ভিসা বাতিল নয়, ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় এই সিদ্ধান্তকে ‘চরম কঠোর’ বলছেন অভিবাসন বিশ্লেষকরা। ফলে আবেদনকারীদের এখন ভিসা আবেদনের আগে তিনবার ভাবতে হবে।
০৬ এপ্রিল ২০২৬
ষাট গম্বুজ মসজিদ

ষাট গম্বুজ মসজিদ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা বাগেরহাট। সবুজ শ্যামলিমা আর নদী-খাল বেষ্টিত এই জনপদকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি এনে দিয়েছে একটি অনন্য স্থাপনা – ষাট গম্বুজ মসজিদ। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তিনটি স্থানের একটি এই মসজিদ মুসলিম স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শন। যেখানে ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা আর নির্মাণকৌশলের মিলন ঘটেছে চুন-সুরকি আর পাথরের বাঁধনে।ইতিহাসের আঁধার আলো: কে, কবে, কেন?মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মিত হয়েছিল, তা নিয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। তবে স্থাপত্যশৈলী ঘেঁটে ইতিহাসবিদরা প্রায় নিশ্চিত – এ মসজিদ পীর খানজাহান আলী (রহ.)-এর হাতেই গড়ে উঠেছিল। ধারণা করা হয়, তিনি পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি (আনুমানিক ১৪৪২-১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দ, অনেকের মতে ১৫০০ শতাব্দীতে) এটি নির্মাণ করেন।সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের আমলে খান-ই-জাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে ‘খলিফাতাবাদ’ রাজ্য গড়ে তোলেন। দরবার ও নামাজের জন্য তিনি একটি বিশাল হল নির্মাণের উদ্যোগ নেন, যা কালক্রমে ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ নামে পরিচিতি পায়। জনশ্রুতি আছে, মসজিদের পাথর চট্টগ্রাম থেকে আনা হয়েছিল। আবার কেউ কেউ বলেন, ভারতের উড়িষ্যার রাজমহল থেকে অলৌকিক ক্ষমতাবলে জলপথে ভাসিয়ে আনা হয়েছিল। বাস্তবে পাথরগুলো রাজমহল থেকেই আনা – এ নিয়ে ঐতিহাসিকরা একমত।নামকরণের নানা কাহিনিমসজিদটির নাম নিয়েও আছে নানা মত।ষাট গম্বুজ কেন? সংস্কৃত ‘সাত’ ও ফারসি ‘ছাদ’ মিলে ‘ছাদ গম্বুজ’ থেকে কথ্যরূপে ‘ষাট গম্বুজ’ হয়েছে বলে এক মত।আবার অন্য মতে, মসজিদের ভেতরে ছয়টি সারিতে দশটি করে মোট ৬০টি পাথরের স্তম্ভ (খাম্বা) আছে। স্তম্ভের ওপর ছাদ নির্মিত, তাই ‘ষাট খাম্বা’ থেকে ‘ষাট গম্বুজ’।গম্বুজের প্রকৃত সংখ্যা: নাম ‘ষাট গম্বুজ’ হলেও আসলে এখানে গম্বুজ ৬০টি নয়। মূল ভবনে ১১টি সারিতে ৭৭টি গম্বুজ, চার কোণার মিনারের ওপর চারটি গম্বুজ – মোট ৮১টি গম্বুজ। ৭৭টির মধ্যে ৭৪টিই অর্ধগোলাকার, শুধু মাঝের সারির সাতটি দেখতে বাংলার চৌচালা ঘরের চালের মতো।তাই অনেক গবেষক মনে করেন, মসজিদটির আসল নাম হওয়া উচিত ছিল ‘ষাট স্তম্ভ মসজিদ’ – কারণ এখানে প্রধান আকর্ষণ সেই ৬০টি পাথরের স্তম্ভ।স্থাপত্যের অনন্য বুননষাট গম্বুজ মসজিদের স্থাপত্যশৈলীতে মিশেছে মধ্য এশিয়ার তুঘলক (তুরস্ক) ও জৌনপুরী ধারা, আবার রয়েছে স্থানীয় বাংলার ছোঁয়া।আকার ও পরিমাপবাইরের দিক: উত্তর-দক্ষিণে ১৬০ ফুট, পূর্ব-পশ্চিমে ১০৪ ফুট।ভেতরের দিক: উত্তর-দক্ষিণে ১৪৩ ফুট, পূর্ব-পশ্চিমে ৮৮ ফুট।দেয়ালের পুরুত্ব: প্রায় ৮.৫ ফুট। ইটের তৈরি এসব দেয়াল অসাধারণ মজবুত।দরজা ও জানালাপূর্ব দেয়ালে ১১টি খিলানযুক্ত দরজা – মাঝেরটি সবচেয়ে বড়।উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ৭টি করে মোট ১৪টি দরজা।এই অসংখ্য দরজা আলো ও বাতাস চলাচলের জন্য তৈরি, তবু ভেতরের দিকটা কিছুটা অন্ধকারাচ্ছন্ন – যা উপাসনার গাম্ভীর্য বাড়ায়।মিনার ও কোঠাচার কোণে চারটি গোলাকার মিনার। এদের চূড়ায় ছোট গম্বুজ। ছাদের কার্নিশের চেয়ে মিনারগুলো কিছুটা উঁচু। সামনের দিকের দুটি মিনারের ভেতর প্যাঁচানো সিঁড়ি – একসময় এখান থেকে আজান দেওয়া হতো।রওশন কোঠা: দক্ষিণ-পূর্ব কোণের বুরুজ – আলো-বাতাসে ভরা।আন্ধার কোঠা: উত্তর-পূর্ব কোণের বুরুজ – তুলনামূলক অন্ধকার।ভেতরের স্তম্ভ ও গম্বুজের জঙ্গলভেতরে ৬০টি পাথরের স্তম্ভ – উত্তর থেকে দক্ষিণে ছয় সারিতে, প্রতিসারিতে দশটি করে। প্রতিটি স্তম্ভ পাথর কেটে বানানো, তবে পাঁচটি স্তম্ভ পরে ইট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই স্তম্ভের ওপর ভর করেই গম্বুজগুলো দাঁড়িয়ে। এক কথায়, এটি খিলান-স্তম্ভ-গম্বুজের এক বিস্ময়কর সমন্বয়।মিহরাব ও মিম্বারপশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব। মাঝের মিহরাবটি সবচেয়ে বড় ও কারুকার্যপূর্ণ। এর দক্ষিণে ৫টি, উত্তরে ৪টি মিহরাব। উত্তরে যেখানে একটি মিহরাব থাকার কথা, সেখানে রয়েছে একটি ছোট দরজা – অনেকে মনে করেন, এটি খানজাহান আলীর দরবার হলের প্রবেশপথ ছিল। ইমামের বসার জন্য রয়েছে পাথরের মিম্বার।রডবিহীন নির্মাণসবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো – এই মসজিদে কোনো লোহার রড ব্যবহার করা হয়নি। শুধু চুন, সুরকি, কালো পাথর ও ছোট ইট দিয়ে তৈরি এই কাঠামো প্রায় ৬০০ বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ও বর্তমান অবস্থা১৯৮৩ সালে (অনেক সূত্রে ১৯৮৫) ইউনেস্কো বাগেরহাট শহরটিকেই ‘ঐতিহাসিক মসজিদ শহর’ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়। আর এই মর্যাদার কেন্দ্রবিন্দু হলো ষাট গম্বুজ মসজিদ।বর্তমানে মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও ইউনেস্কোর যৌথ তত্ত্বাবধানে সংরক্ষিত। এখনো এখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয়। একসঙ্গে মসজিদের ভেতরে প্রায় দুই হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন।ভ্রমণ তথ্য: কখন, কীভাবে, কত টাকা?প্রবেশ ফিদেশি পর্যটক: ৩০ টাকা (অনেক সূত্রে ২০ টাকাও উল্লেখ আছে – বর্তমানে ৩০ টাকাই বেশি প্রচলিত)মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী: ১০ টাকাসার্কভুক্ত দেশের নাগরিক: ২০০ টাকাঅন্যান্য বিদেশি: ৫০০ টাকাশিশু (০-১০ বছর) ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী: বিনামূল্যেঅনলাইন টিকেট: চাইলে myGOV ওয়েবসাইট থেকে কিউআর কোডযুক্ত টিকেট কেটে নিতে পারেন।খোলা ও বন্ধের সময়গ্রীষ্মকাল (গরমকাল): সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টাশীতকাল: সকাল ৯টা – বিকেল ৫টামধ্যাহ্ন বিরতি: দুপুর ১টা – ১টা ৩০ মিনিট (উভয় মৌসুমে)শুক্রবার বিশেষ বন্ধ: জুমার নামাজের জন্য দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট – বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটসাপ্তাহিক ছুটি: রোববার সারাদিন বন্ধ (সোমবার দুপুর ২টা থেকে খোলে)টিপস: নামাজের সময় (ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, এশা) স্থানীয় মুসল্লিরা প্রবেশ করতে পারেন বিনামূল্যে। তবে পর্যটকদের নির্ধারিত সময় ও টিকিট মেনে চলতে হবে।মসজিদ চত্বরে জাদুঘরপ্রধান ফটকের ডান পাশে বাগেরহাট জাদুঘর। এখানে খানজাহান আমলের প্রাচীন মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক, অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন – এমনকি খানজাহানের দিঘির ঐতিহ্যবাহী ‘কালা পাহাড়’ ও ‘ধলা পাহাড়’ কুমিরের মমি সংরক্ষিত আছে।জাদুঘরের সময়: গ্রীষ্মে সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টা, শীতে সকাল ৯টা – বিকেল ৫টা।মধ্যাহ্ন বিরতি: দুপুর ১টা – দেড়টা।ছুটি: রোববার সারাদিন।একই টিকিটে জাদুঘর ও মসজিদ কমপ্লেক্স ঘুরতে পারবেন।যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাগেরহাটবাসেঢাকার সায়দাবাদ ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নিয়মিত বাস ছাড়ে। উল্লেখযোগ্য পরিবহন: মেঘনা, বনফুল, ফাল্গুনী, আরা, পর্যটক, বলেশ্বর, হামিম, দোলা, সোহাগ, শাকুরা, হানিফ, কমফোর্ট লাইন, ঈগল।ভাড়া: ৬৫০-৮০০ টাকা (প্রতি জন)।সময়: সকাল ৬টা-১০টা এবং সন্ধ্যা ৭টা-রাত ১০টা পর্যন্ত ছাড়ে।বাগেরহাট বাসস্ট্যান্ড নেমে রিকশা বা সিএনজি নিলে ৩০-৪০ টাকায় পৌঁছে যাবেন ষাট গম্বুজ মসজিদে (সুন্দরঘোনা গ্রাম, খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের উত্তর পাশে)।ট্রেনেঢাকা থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস খুলগামী ট্রেনে খুলনা যান। সেখান থেকে বাস বা সিএনজিতে বাগেরহাট (সময় লাগে ১-১.৫ ঘণ্টা)।কোথায় থাকবেন?বাগেরহাটে তেমন বিলাসবহুল হোটেল নেই, তবে মাঝারি মানের থাকার জায়গা আছে।রেল রোডে মমতাজ হোটেল – সুযোগ-সুবিধা কম, কিন্তু সেবা ভালো। খরচ তুলনামূলক বেশি।খান জাহান আলীর মাজারের সামনে হোটেল অভি – মেইন হাইওয়েতে অবস্থিত।কেন্দ্রীয় বাসস্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন এবং কর্মকার পট্টিতে হোটেল মোহনা।খুলনা খুব কাছে বলে চাইলে খুলনা গিয়েও রাত কাটাতে পারেন।খাওয়ার ব্যবস্থাবাসস্ট্যান্ড ও দরগার আশপাশে কয়েকটি মোটামুটি মানের হোটেল আছে। তবে দাম ও মান সম্পর্কে আগে জেনে নেওয়া ভালো। স্থানীয় মাছ ও ভাত খেতে পারেন – বাগেরহাটের ইলিশ বেশ有名।দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাতষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয় – এটি জীবন্ত একটি উপাসনালয়। প্রতি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় এখানে দেশ-বিদেশের প্রায় অর্ধলাখ মুসল্লি জড়ো হন। এটি দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত। রমজান মাসে দুই হাফেজ খতম তারাবির নামাজ পড়ান এবং মুসল্লিদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা থাকে।আশপাশের দর্শনীয় স্থানমসজিদ ঘুরে সময় থাকলে আরও কয়েকটি স্থান দেখতে পারেন:বিবি বেগনির মসজিদ (৫০০ মিটার পেছনে) – ফুলের কারুকার্যময়।চুনাখোলা মসজিদ (বিবি বেগনির আরও ৫০০ মিটার পেছনে)।সিঙ্গাইর মসজিদ (মহাসড়কের পাশে)।নয় গম্বুজ মসজিদখান জাহান আলীর মাজারঘোড়া দিঘি ও রণবিজয়পুর দিঘিমোংলা বন্দর (চাইলে সুন্দরবন যাতায়াতের গেটওয়ে)।ভ্রমণে যা মেনে চলবেনহালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন – সুতির কাপড় উত্তম।পর্যাপ্ত পানি, বিস্কুট, মুড়ি, চিড়া ইত্যাদি সঙ্গে রাখুন।মোবাইলের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংক নিতে ভুলবেন না।জ্বর, সর্দি, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ও স্যালাইন রাখুন।মসজিদে প্রবেশের আগে জুতা বাইরে রেখে পায়ে মোজা পরে প্রবেশ করুন।নামাজরত মুসল্লিদের বিরক্ত করবেন না। নির্ধারিত পর্যটক এলাকায় ঘুরুন।টিকিট কাটার পর জাদুঘর দেখতে ভুলবেন না – এটি একই ফিতে।শেষকথাষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু পাথর-চুন-সুরকির গাঁথনি নয়; এটি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মুসলিম স্থাপত্যের এক জীবন্ত দলিল। এখানে দাঁড়ালে সময় থমকে দাঁড়ায়। শুনতে পাবেন খানজাহানের আজানের প্রতিধ্বনি, দেখতে পাবেন অর্ধগোলাকার গম্বুজের সারি মেঘ ছুঁতে চায়।আপনিও একবার চলে আসুন বাগেরহাটে। ষাট গম্বুজের ছায়ায় দাঁড়ান। ইতিহাসের স্পর্শ নিন। আর এই অসাধারণ স্থাপত্যের সাক্ষী হয়ে ফিরে আসুন – নতুন এক অভিজ্ঞতা নিয়ে।
গণবার্তা ফিচার