গণবার্তা – সর্বশেষ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্লেষণ ও রিয়েল টাইম আপডেট
সর্বশেষ

ফুজাইরাহর তেল স্থাপনায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের ১০ম দিনে সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে একটি তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার পর তাদের ধ্বংসাবশেষ ফুজাইরাহ অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোন (FOIZ)-এ আঘাত করলে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।ফুজাইরাহর মিডিয়া অফিসের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ এই পেট্রোল সুবিধার ওপর পড়লে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে গত শুক্রবারও ফুজাইরাহ অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোনে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াম (WAM) জানিয়েছিল।আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবেলা করেছে এবং সেসব ভূপাতিত করেছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা মূলত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় তৈরি হয়েছিল।এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাকিস্তানি, নেপালি ও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।শুধু আমিরাত নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও ইরানের হামলা অব্যাহত রয়েছে:বাহরাইনে সিত্রা এলাকায় ইরানি ড্রোন হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন এবং তাদের একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকটি বাসস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।কুয়েতে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির ন্যাশনাল গার্ড একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি ।কাতারের সামরিক বাহিনী একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ।সৌদি আরব শায়বাহ অয়েল ফিল্ডের কাছে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ।এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরাবে অবস্থিত তাদের অত্যাবশ্যক নয় এমন কূটনৈতিক কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে । অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন।ইরানের এই হামলার জেরে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম।
২ ঘন্টা আগে

ওসমান হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) ভোররাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ।আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে এবং এসটিএফ-এর এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যা ও অন্যান্য অপরাধের পর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ।এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ওসমান হাদিকে হত্যার নির্দেশ ও পরিকল্পনা করেছিলেন মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। তার নির্দেশেই ফয়সাল করিম ও আলমগীর এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ঘটনার পরপরই তারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল বলে নিশ্চিত হয় ডিবি ।উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পুরান পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় যাত্রী অবস্থায় ওসমান হাদিকে পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময় তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন । গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন ।ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। ফয়সাল করিম ও আলমগীরসহ ছয়জন পলাতক ছিল। তাদের গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির প্রক্রিয়াও শুরু করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ ।পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত দুজন বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় আটক ছিল এবং বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল । তাদের ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।
১৬ ঘন্টা আগে

ইরানের ইউরেনিয়াম মজুদ জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের

ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ।সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪৫০ কেজি '৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ' ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে । এই বিশাল মজুদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য অর্জনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, এই বিশেষ অভিযানটি যুদ্ধের 'পরবর্তী ধাপে' পরিচালিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন নিশ্চিত হবে যে ইরানের সামরিক বাহিনী আর জোরালো কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলার অবস্থায় নেই, তখনই এই কমান্ডো অভিযান চালানো হতে পারে ।মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুদ নিরপেক্ষ করতে সরকার দুটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা করেছে: পুরো মজুদ ইরানের বাইরে সরিয়ে নেওয়া অথবা বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সেখানেই ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমিয়ে দেওয়া । এই মিশনে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরাও অংশ নিতে পারেন ।গত বছরের জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল একযোগে হামলা চালিয়েছিল । ওই হামলার পর দেশটির ইউরেনিয়াম মজুদের বর্তমান অবস্থা ঠিক কী, তা এখনও অস্পষ্ট। আইএইএ জানিয়েছে, বোমা হামলার শিকার হওয়া ওই সাইটগুলোতে ইরান তাদের পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। ফলে ইউরেনিয়াম মজুদের সঠিক অবস্থান ও অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারছে না সংস্থাটি ।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আরও পরিশোধন করলে প্রায় ১০ থেকে ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব । তবে আইএইএ এখন পর্যন্ত ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো সমন্বিত কর্মসূচির প্রমাণ পায়নি বলেও জানিয়েছে ।সূত্র: অ্যাক্সিওস, আল জাজিরা, আইএইএ
২১ ঘন্টা আগে
হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে: আইজিপি

হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে: আইজিপি

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিকভাবে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক নানা ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।আইজিপি বলেন, "হাদি হত্যার আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে আনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিকভাবে কাজ চলছে। তাদেরকে অচিরেই ফিরিয়ে আনা হবে।"সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগির দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের কথাও জানান আইজিপি।তিনি বলেন, "ঈদযাত্রার সময় মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি কিংবা চাঁদাবাজির মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে দেওয়া হবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।"বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে নতুন আইজিপি বলেন, এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। একই সঙ্গে জঙ্গিবাদ যাতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আলোচিত হাদী হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।"পুলিশের দুর্নামের জন্য কতিপয় পুলিশ সদস্য দায়ী মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, "পুলিশের পদোন্নতি, পদায়নে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি হবে না। সৎ ও যোগ্য লোক থাকবে পুলিশে। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।"তিনি আরও বলেন, "দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিটি থানায় একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আর পুলিশের পোশাকের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।"
১ ঘন্টা আগে
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করলো সরকার, ১৪ মার্চ উদ্বোধন

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করলো সরকার, ১৪ মার্চ উদ্বোধন

মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ধর্মগুরুদের জন্য মাসিক সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন ।রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ ।সরকার ঘোষিত সম্মানী কাঠামো অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩৯৬টি গির্জার ধর্মগুরুরা এই সুবিধা পাবেন ।প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন ।প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ অর্থ থেকে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন ।প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন । প্রতিটি চার্চের জন্যও ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে, যেখানে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন ।শুধু মাসিক সম্মানীই নয়, ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিশেষ ভাতাও দেওয়া হবে। মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুইবার বোনাস দেওয়া হবে ।অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট উপাসনালয়ের কর্মরতদের জন্য ২ হাজার টাকা করে বোনাস নির্ধারণ করা হয়েছ।প্রথম পর্যায়ে পাইলট স্কিমের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মসজিদ নির্বাচন করা হয়েছে। অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জা বেছে নেওয়া হয়েছে ।তবে যেসব মসজিদ সরকারি কিংবা দেশি-বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে ।উপদেষ্টা ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে । আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগী ব্যক্তিদের কাছে সম্মানীর টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। টাকা হাতে হাতে নয়, বরং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি প্রেরণ করা হবে ।সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ।ইসমাইল জাবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর থেকেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ।
১৫ ঘন্টা আগে
ফুজাইরাহর তেল স্থাপনায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন

ফুজাইরাহর তেল স্থাপনায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের ১০ম দিনে সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে একটি তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার পর তাদের ধ্বংসাবশেষ ফুজাইরাহ অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোন (FOIZ)-এ আঘাত করলে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।ফুজাইরাহর মিডিয়া অফিসের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ এই পেট্রোল সুবিধার ওপর পড়লে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে গত শুক্রবারও ফুজাইরাহ অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোনে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াম (WAM) জানিয়েছিল।আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবেলা করেছে এবং সেসব ভূপাতিত করেছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা মূলত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় তৈরি হয়েছিল।এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাকিস্তানি, নেপালি ও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।শুধু আমিরাত নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও ইরানের হামলা অব্যাহত রয়েছে:বাহরাইনে সিত্রা এলাকায় ইরানি ড্রোন হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন এবং তাদের একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকটি বাসস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।কুয়েতে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির ন্যাশনাল গার্ড একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি ।কাতারের সামরিক বাহিনী একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ।সৌদি আরব শায়বাহ অয়েল ফিল্ডের কাছে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ।এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরাবে অবস্থিত তাদের অত্যাবশ্যক নয় এমন কূটনৈতিক কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে । অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন।ইরানের এই হামলার জেরে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম।
২ ঘন্টা আগে
১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
আগামী নির্বাচনে আপনি হ্যা ভোট দিবেন নাকি না ভোট দিবেন?

আগামী নির্বাচনে আপনি হ্যা ভোট দিবেন নাকি না ভোট দিবেন?

  হ্যা ভোট
  না ভোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, ৮০ হাজারই নারী: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, ৮০ হাজারই নারী: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব ও সার্বজনীন করতে সরকার ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৮০ হাজার পদে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত 'বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে' শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, "তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যাদের একটি বড় অংশ হবে নারী। আমরা নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি, কারণ তারা পরিবার ও সমাজে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।"এ সময় তিনি দেশে 'ই-হেলথ কার্ড' চালুর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এর বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। দুর্নীতির অস্তিত্ব স্বীকারস্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, "দুর্নীতি নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং প্রতিকারে কাজ করতে হবে। সঠিক তদারকি না থাকলে যেকোনো ভালো পরিকল্পনাও দুর্নীতির কবলে পড়ে হারিয়ে যেতে পারে। তাই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা বা পাইপলাইনিং গড়ে তোলা জরুরি।"হাসপাতালগুলোতে রোগীদের ভোগান্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, "দালালদের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কারণে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকার এসব সমস্যা সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।" বিশেষজ্ঞদের মতামতঅনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ে এত বিপুল সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পাবে।যা থাকছে নতুন নিয়োগেসরকারের এই উদ্যোগের আওতায়— মোট নিয়োগ: ১ লাখনারী স্বাস্থ্যকর্মী: ৮০ হাজার (অগ্রাধিকার ভিত্তিতে)পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী: ২০ হাজারকর্মস্থল: তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালউদ্দেশ্য: প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনবান্ধব ও সার্বজনীন করা
০৭ মার্চ ২০২৬
মোটরসাইকেলে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার

মোটরসাইকেলে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে সংকট মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনানিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এতে দেশেও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বেশি পরিমাণে তেল কিনতে ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে ভিড় করছেন বিভিন্ন যানের চালকেরা। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।যানভিত্তিক তেলের সীমাবিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, বিভিন্ন যানে দিনে সর্বোচ্চ যতটুকু জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে—মোটরসাইকেল: ২ লিটার পেট্রল বা অকটেনব্যক্তিগত গাড়ি (প্রাইভেটকার): ১০ লিটারএসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাস: ২০ থেকে ২৫ লিটারপিকআপ/লোকাল বাস: ৭০ থেকে ৮০ লিটারদূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/কনটেইনার ট্রাক: ২০০ থেকে ২২০ লিটারসংকটের কারণমধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও।বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অতিরিক্ত মজুদ রোধ করতেই এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।এদিকে নতুন এই নির্দেশনার পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে। অনেক চালক সীমার মধ্যে থেকে তেল নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
২০ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি সই, নতুন হার ১৯ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি সই, নতুন হার ১৯ শতাংশ

২০ ঘন্টা আগে
কম দামে আইফোন আনল অ্যাপল, পাওয়া যাবে ১১ মার্চ থেকে

কম দামে আইফোন আনল অ্যাপল, পাওয়া যাবে ১১ মার্চ থেকে

জনপ্রিয় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাপল অবশেষে বাজারে আনতে যাচ্ছে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এটি হবে অ্যাপলের বর্তমান লাইনআপের সবচেয়ে সস্তা আইফোন মডেল। নতুন এই ফোনটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ১১ মার্চ থেকে পাওয়া যাবে।অ্যাপল সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই মডেলটিতে থাকছে অত্যাধুনিক প্রসেসর ও উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, যা দাম কম হলেও গুণগত মানে কোনো আপস করেনি প্রতিষ্ঠানটি। দাম কমানোর জন্য ফোনটির ডিজাইন ও কিছু ফিচারে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে অ্যাপলের সিগনেচার কোয়ালিটি ও সফটওয়্যার সাপোর্ট অটুট রাখা হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাপলের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা আইফোন কেনা থেকে বিরত থাকতেন। নতুন এই সাশ্রয়ী মূল্যের মডেল তাদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।বাংলাদেশে আইফোনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তরুণ প্রজন্ম ও পেশাজীবীদের মধ্যে আইফোন ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে উচ্চ মূল্যের কারণে অনেকেই আইফোন কেনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না। নতুন এই সাশ্রয়ী মডেল বাংলাদেশের বাজারে আইফোনের বিক্রিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।রাজধানীর একটি মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জানান, "অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য খুবই ভালো খবর। আমরা ইতিমধ্যে অনেক ক্রেতার কাছ থেকে নতুন মডেলটি নিয়ে আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। আশা করছি, ১১ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হলে ব্যাপক সাড়া পড়বে।"প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল মূলত বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই সাশ্রয়ী মূল্যের আইফোন আনছে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে এবং নতুন ক্রেতা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ। তবে দাম কমিয়ে অ্যাপল তার প্রিমিয়াম ইমেজে কোনো আপস করেনি বলেও তারা মনে করছেন।নতুন এই আইফোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও দাম জানতে আগ্রহী ক্রেতারা অ্যাপলের বাংলাদেশের অথরাইজড রিসেলার ও নিজ নিজ অপারেটরের শোরুমে যোগাযোগ করতে পারেন। ১১ মার্চ থেকে শুরু হবে এই ফোনের আনুষ্ঠানিক বিক্রি।
১ ঘন্টা আগে
 নারীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, চালক-সহকারী সবাই নারী

নারীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, চালক-সহকারী সবাই নারী

দেশে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী এক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 'মহিলা বাস সার্ভিস' চালুর এই উদ্যোগে বাসের চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপার সবাই হবেন নারী। বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) নারীদের জন্য বিশেষ এই বাস সার্ভিস চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারীদের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে 'মহিলা বাস সার্ভিস' চালু করা হচ্ছে। এই সার্ভিসটি সম্পূর্ণভাবে নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। এতে বাসের স্টিয়ারিং ধরবেন দক্ষ নারী চালক। পাশাপাশি বাসে দায়িত্ব পালন করবেন নারী কন্ডাক্টর ও নারী হেলপার। সব মিলিয়ে পুরো সার্ভিসটিই নারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।বিশ্লেষকরা বলছেন, গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে অফিসগামী নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের কর্মজীবী নারীরা প্রায়ই গণপরিবহনে নানা ধরনের নির্যাতন ও অস্বস্তির শিকার হন। এই বিশেষ বাস সার্ভিস চালু হলে নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।বিআরটিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ রুটে এই বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অন্যান্য বিভাগীয় শহরেও এই সেবা সম্প্রসারণ করা হবে। নারী চালক ও কর্মী নিয়োগের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নারী অধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিকরা। মহিলা পরিষদের সভাপতি জানান, 'এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এটি শুধু নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবে না, বরং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।''মহিলা বাস সার্ভিস' চালুর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত এই বাস সার্ভিস নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে নারী চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নারীদের গণপরিবহন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আমূল বদলে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
২০ ঘন্টা আগে
হযরত ওসমান (রাঃ) এর দান আজও বহমান

হযরত ওসমান (রাঃ) এর দান আজও বহমান

মহানবী (সাঃ) নবুওয়াত প্রাপ্তির ১৩তম বছর। মুসলমানরা মাত্র মক্কা ছেড়ে মদিনায় এসেছেন। অচেনা পরিবেশে দেখা দেয় সুপেয় পানির তীব্র সংকট।মদিনায় ‘বিরে রুমা’ বা রুমার কূপ নামে ইহুদিদের একটি কূপ ছিল। ইহুদিরা এ সুযোগে কূপের পানি মুসলমানদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতে শুরু করলেন। সাহাবারা রাসূলকে (স) এ বিষয়ে অবগত করলে তিনি বললেন—“তোমাদের মধ্যে কে আছ যে, এই কূপ মুসলমানদের জন্য ক্রয় করে দেবে। মুসলমানদের এই কূপ যে খরিদ করে দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে ঝর্ণা দান করবেন।”রাসূলের (স) কথায় হজরত ওসমান (র) ইহুদির কাছে এই কূপ ক্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। ইহুদি তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে তিনি বললেন, পুরো কূপ বিক্রি না করলে অর্ধেক বিক্রি করুন। এতে একদিন কূপের মালিক হবেন তিনি আর আরেক দিন ইহুদি। ওসমান (র) অর্ধেক কূপ ক্রয় করে বিনামূল্যে পানি বিতরণ করতে লাগলেন। লোকজন ওসমানের (র) ক্রয় করা নির্ধারিত দিনে পানি সংগ্রহ করত এবং পরের দিনের জন্যও পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত করে রাখত।ইহুদির দিনে কেউ পানি সংগ্রহ করতে যেত না। ফলে তার পানির ব্যবসা মন্দা হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে নিজেই পুরো কূপ বিক্রির জন্য ওসমানের (র) কাছে প্রস্তাব পেশ করে। ওসমান (র) ৩৫ হাজার রৌপ্য মুদ্রায় কূপটি কিনে মুসলমানদের জন্য ওয়াকফ করে দেন।এক ধনী লোক দ্বিগুণ দামে কূপটি কিনতে চাইলে তিনি বলেন—“আমার চাহিদা এর চেয়ে আরও অনেক বেশি।” লোকটি মূল্য বাড়াতে থাকলে ওসমান (র) বলেন—“আমার আল্লাহ আমাকে প্রতি নেকিতে ১০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।”হজরত ওসমানের (র) শাসনামলে এই কূপের চারপাশে খেজুর বাগান তৈরি হয়। সময়ের চাকা ঘুরে বহু উত্থান-পতনের পর সৌদি রাজপরিবার ক্ষমতায় আসার সময়ে বাগানে খেজুরগাছের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫৫০টিতে। সরকার বাগানের চারদিকে দেয়াল তৈরি করে দেয়। এই ভূসম্পত্তি ওসমানের (র) নামে দলিল করে দেয় এবং তার নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, সৌদি আরবে এখনো তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমানের (র) নামে দলিল করা প্রপার্টি রয়েছে। রয়েছে ব্যাংক অ্যাকাউন্টও। আরও মজার বিষয় হলো— মাস ফুরালে এখনো তার নামেই আসে গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল।সৌদির কৃষি মন্ত্রণালয় এই বাগানের খেজুর বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ওসমানের (র) অ্যাকাউন্টে জমা রাখে। সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মদিনায় একটি বড় প্রপার্টি ক্রয় করা হয়। সেখানে নির্মিত হয় “হোটেল ওসমান বিন আফফান” নামে একটি আবাসিক হোটেল।হোটেলটির নির্মাণকাজ ২০১৪-১৫ সালে সমাপ্ত হয় এবং বর্তমানে এটি চালু রয়েছে। হোটেলের নেমপ্লেটে লেখা আছে—“মালিক সাইয়্যিদুনা উসমান (র)।” যেহেতু তার ওয়াকফকৃত সম্পত্তি থেকে অর্জিত অর্থে এটি নির্মিত, তাই মালিক হিসেবে তার নামই উল্লেখ করা হয়েছে।এই হোটেল থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন রিয়াল আয় হবে বলে আশা করছে সৌদি সরকার। হোটেলের আয়ও ওসমানের (র) অন্য সম্পদের মতো একভাগ এতিম-মিসকিনদের দান করা হয় এবং আরেক ভাগ তার নামে পরিচালিত অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। অর্থের অর্ধেক অসহায়-দুস্থদের মানবতার সেবায় ব্যয় করা হয়, আর অর্ধেক হজরত ওসমানের (র) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। সুবহান আল্লাহ। হজরত ওসমান (র) এর দান আল্লাহ এমনভাবে গ্রহণ করেছেন যে, কেয়ামত পর্যন্ত তা চালু থাকবে। তার আখেরাতের অ্যাকাউন্টে তো সওয়াব জমা হচ্ছেই, দুনিয়ার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সও ফুরাবার নয়।
অনলাইন ডেস্ক