ঢাকা    শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা
সর্বশেষ

মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা পরিকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে তার তীব্র জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সমস্ত প্রধান অবকাঠামো একযোগে ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়েছে তেহরান।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধকালীন হুমকির বিপরীতে ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাগারি দেশীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ইরানের ওপর হামলা চালানোর পূর্বঘোষিত হুমকিগুলো বাস্তবায়ন করার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেন, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অত্যন্ত শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাতকঠিন আঘাতে সমগ্র অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো ও পরিকাঠামো এমনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে যাতে সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই আর অবশিষ্ট না থাকে।এই কঠোর হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বর্তমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের অনধিকার প্রবেশ ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও তেহরানের অনমনীয় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে এবং কোনো উপায়েই তারা আমেরিকাকে একটি বহিরাগত ও এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে হরমুজ প্রণালীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নাক গলাতে দেবে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে এই জলপথের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য একটি অপরাজেয় লাল রেখা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।ইরানের এই কঠোর সতর্কবার্তার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে পারস্য উপসাগরের কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তেলের দামও এই উত্তেজনার মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
১২ ঘন্টা আগে

ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করল তথ্য অধিদপ্তর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য উৎসকে সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্যবহার করার কারণে অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে নিবন্ধনকৃত সব গণমাধ্যমকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।বুধবার (১৫ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু গণমাধ্যম ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ অসত্য খবর পরিবেশন করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলে মনে করে তথ্য অধিদপ্তর।তথ্য অধিদপ্তর বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য উৎসকে সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্যবহার করার কারণে অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। ফলে অপতথ্য ও বিকৃত কনটেন্ট মূলধারার গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।এ কারণে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, পেশাদারী দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাক্ট চেক করা গণমাধ্যমের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বলে মনে করেন অধিদপ্তর।একই সঙ্গে গণমাধ্যমকে নিবন্ধনের নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে ওই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখতে গণমাধ্যমগুলোকে ভেরিফায়েড ও বিশ্বস্ত সূত্রকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং যে কোনো খবর প্রকাশের আগে তা যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে। অন্যথায় ভুল তথ্য প্রচারের মাধ্যমে গণমাধ্যম নিজেরাই জনগণের আস্থা হারাতে পারে বলে সতর্ক করেছে তথ্য অধিদপ্তর।
১৫ জুলাই ২০২৬

হোয়াইট হাউসে ঢুকে ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে ইরান: আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে হুমকি দিয়েছেন ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাবেক একজন শীর্ষ কমান্ডার। তার দাবি, প্রয়োজন হলে হোয়াইট হাউজের ভেতরেই প্রবেশ করে ট্রাম্পকে হত্যা করার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।ইরানি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ফারারুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার হোসেইন কানানি মোকাদ্দাম এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যদি ট্রাম্পকে হত্যা করাই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। প্রয়োজন দেখা দিলে সেই সামর্থ্য তাদের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।সাক্ষাৎকারে কানানি মোকাদ্দাম তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান আলোচনার বিষয়েও কথা বলেন। তার ভাষ্য, এই সংলাপের লক্ষ্য কোনো শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো নয়; বরং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে ইরানের অবস্থান তুলে ধরা।তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের সঙ্গে ইরান শান্তির উদ্দেশ্যে আলোচনা করছে না। আলোচনার মাধ্যমে তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগের জবাব দিতে চায়। একই সঙ্গে প্রতিশোধ ও পাল্টা জবাবের বিষয়টি এখনও ইরানের বিবেচনায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তবে কানানি মোকাদ্দামের এসব বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার এই হুমকি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের এই সময়ে এ ধরনের মন্তব্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
১৫ জুলাই ২০২৬
সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান

সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান

দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে অবসরে যাচ্ছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বৃহস্পতিবার সেনা সদর দপ্তরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।সেনা সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নৌবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সাক্ষাৎকালে দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা, পেশাদারিত্ব ও আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিভিন্ন মতবিনিময় হয়।সেনাপ্রধান ও নৌপ্রধান দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নিবিড় সমন্বয়ে কাজ করে আসছে বলে উল্লেখ করেন। তারা ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ২০২৩ সালের জুলাইয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে নৌবাহিনী আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। বিদায়ী এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নৌবাহিনী প্রধানকে বিদায়ী সম্মান জানান সেনাসদস্যরা।নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে কে আসছেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্র জানিয়েছে, দায়িত্ব পাওয়া সবচেয়ে সিনিয়র অ্যাডমিরালকে এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। গার্ড অব অনার শেষে নৌবাহিনী প্রধান সেনা সদর দপ্তর থেকে বিদায় নেন।
২ ঘন্টা আগে
সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান

সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান

দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে অবসরে যাচ্ছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বৃহস্পতিবার সেনা সদর দপ্তরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।সেনা সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নৌবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সাক্ষাৎকালে দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা, পেশাদারিত্ব ও আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিভিন্ন মতবিনিময় হয়।সেনাপ্রধান ও নৌপ্রধান দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নিবিড় সমন্বয়ে কাজ করে আসছে বলে উল্লেখ করেন। তারা ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ২০২৩ সালের জুলাইয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে নৌবাহিনী আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। বিদায়ী এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নৌবাহিনী প্রধানকে বিদায়ী সম্মান জানান সেনাসদস্যরা।নতুন নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে কে আসছেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্র জানিয়েছে, দায়িত্ব পাওয়া সবচেয়ে সিনিয়র অ্যাডমিরালকে এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। গার্ড অব অনার শেষে নৌবাহিনী প্রধান সেনা সদর দপ্তর থেকে বিদায় নেন।
২ ঘন্টা আগে
মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা পরিকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে তার তীব্র জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সমস্ত প্রধান অবকাঠামো একযোগে ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়েছে তেহরান।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধকালীন হুমকির বিপরীতে ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাগারি দেশীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ইরানের ওপর হামলা চালানোর পূর্বঘোষিত হুমকিগুলো বাস্তবায়ন করার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেন, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অত্যন্ত শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাতকঠিন আঘাতে সমগ্র অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো ও পরিকাঠামো এমনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে যাতে সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই আর অবশিষ্ট না থাকে।এই কঠোর হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বর্তমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের অনধিকার প্রবেশ ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও তেহরানের অনমনীয় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে এবং কোনো উপায়েই তারা আমেরিকাকে একটি বহিরাগত ও এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে হরমুজ প্রণালীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নাক গলাতে দেবে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে এই জলপথের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য একটি অপরাজেয় লাল রেখা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।ইরানের এই কঠোর সতর্কবার্তার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে পারস্য উপসাগরের কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তেলের দামও এই উত্তেজনার মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
১২ ঘন্টা আগে
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ এএম
আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

আপনি কি মনে করেন বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর ও শব্দ বাস্তবায়ন করবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
ফার্মের মুরগি কতটা স্বাস্থ্যকর?

ফার্মের মুরগি কতটা স্বাস্থ্যকর?

ফার্মের মুরগি বা ব্রয়লার মুরগি নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের সংশয় থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি নিজে ক্ষতিকর নয়। বরং নিরাপদ উৎপাদন, সঠিক সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না করা হলে ব্রয়লার মুরগি উচ্চমানের প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অন্যতম উৎস হতে পারে।বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সবচেয়ে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবারের একটি হলো ব্রয়লার মুরগি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই এটি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কি না—এ নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. সাহানাজ বলেন, ব্রয়লার মুরগি নিজে কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয়। এতে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন বি-৬, নিয়াসিন (ভিটামিন বি-৩), ফসফরাস, সেলেনিয়াম ও জিংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।তার ভাষ্য, ব্রয়লার মুরগি নিরাপদ কি না, তা নির্ভর করে কীভাবে এটি পালন করা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ম মানা হয়েছে কি না এবং জবাই ও সংরক্ষণের সময় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর।অ্যান্টিবায়োটিক প্রসঙ্গে ডা. সাহানাজ জানান, কিছু খামারে রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার কিংবা জবাইয়ের আগে প্রয়োজনীয় বিরতি না মানলে মাংসে ওষুধের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়তে পারে।ব্রয়লার মুরগিকে দ্রুত বড় করতে হরমোন ব্যবহার করা হয়—এমন ধারণা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার মতে, এ দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আধুনিক ব্রয়লার মুরগির দ্রুত বৃদ্ধি মূলত উন্নত জাত, সুষম খাদ্য এবং উন্নত খামার ব্যবস্থাপনার ফল।তিনি আরও বলেন, খামারে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে কিংবা জবাই ও সংরক্ষণের সময় অসতর্কতা থাকলে সালমোনেলা ও ক্যাম্পিলোব্যাক্টারের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মাংসে থাকতে পারে। তাই ব্রয়লার মুরগির মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করে খাওয়া উচিত।ডা. সাহানাজের মতে, চামড়াবিহীন ব্রয়লার মুরগির মাংস পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তিনি বলেন, দেশি ও ব্রয়লার—উভয় ধরনের মুরগিই ভালো প্রোটিনের উৎস। দেশি মুরগির স্বাদ ও গঠন ভিন্ন হলেও পুষ্টিগুণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। মূল বিষয় হলো নিরাপদ উৎপাদন, ভালো মান এবং স্বাস্থ্যসম্মত রান্না।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ব্রয়লার মুরগি কেনা ও খাওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন:বিশ্বস্ত দোকান বা অনুমোদিত খামার থেকে মুরগি কেনাদুর্গন্ধযুক্ত বা অস্বাভাবিক রঙের মাংস এড়িয়ে চলাকাঁচা ও রান্না করা মাংস আলাদা রাখামাংস সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাবিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই ব্রয়লার মুরগি নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব।
১৫ জুলাই ২০২৬
অর্থনীতির তিন সংকটে আইএমএফের উদ্বেগ, প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কা

অর্থনীতির তিন সংকটে আইএমএফের উদ্বেগ, প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কা

বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য চাপে রয়েছে। আইএমএফের মিশন প্রধান আইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফর শেষে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।সফর শেষে আইভো ক্রজনার বলেন, 'বাংলাদেশ এখনও উল্লেখযোগ্য রাজস্ব, আর্থিক খাত ও মূল্যস্ফীতিজনিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এসব চ্যালেঞ্জকে আরও তীব্র করেছে'। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে দেশে আবারও মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের আগেই সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার ওপর আরও চাপ তৈরি হয়েছে।আইএমএফ জানিয়েছে, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক খাতেও চাপ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী রয়েছে, তারপরও ভারসাম্য রক্ষায় চাপ অব্যাহত রয়েছে। সংস্থাটি আরও মন্তব্য করেছে যে ব্যাংকিং খাতের চাপও এখনও উদ্বেগজনক।প্রবৃদ্ধি কমার শঙ্কাবাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের পূর্বাভাস উদ্বেগের ইঙ্গিত দিয়েছে। সংস্থাটির কর্মীদের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে ২০২৭ অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। আর রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, আর্থিক সক্ষমতা সৃষ্টি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে।আইএমএফের মতে, ব্যাংকিং খাতের চাপ, রাজস্ব চ্যালেঞ্জ এবং বৈদেশিক খাতের ঝুঁকি একে অপরকে আরও তীব্র করতে পারে। নতুন সম্ভাব্য আইএমএফ কর্মসূচির পরিধি, অর্থায়নের আকার এবং এর সঙ্গে যুক্ত সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আগামী কয়েক মাসে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
১০ জুন ২০২৬
চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

১০ জুন ২০২৬
গোপনীয়তা রক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপে এল ইউজারনেম ফিচার

গোপনীয়তা রক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপে এল ইউজারনেম ফিচার

বিশ্বের জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত ইউজারনেম ফিচার চালুর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ফোন নম্বর প্রকাশ না করেই অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আগের মতোই ফোন নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকবে।মেটার মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ কয়েক বছর ধরে ইউজারনেম ফিচার নিয়ে কাজ করছিল। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দের ইউজারনেম সংরক্ষণ (রিজার্ভ) করতে পারবেন। তবে ফিচারটি ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে চালু হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের শেষ দিকে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।হোয়াটসঅ্যাপের তথ্যমতে, ব্যবহারকারীরা ৩ থেকে ৩৫ অক্ষরের মধ্যে যেকোনো ইউজারনেম নির্বাচন করতে পারবেন। তবে সেটি অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা লঙ্ঘন করতে পারবে না। এছাড়া জনপ্রিয় তারকা, ভিআইপি ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু ইউজারনেম সংরক্ষিত রাখা হবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কনটেন্ট নির্মাতারা চাইলে তাদের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের একই ইউজারনেম হোয়াটসঅ্যাপেও ব্যবহার করতে পারবেন।যখন কোনো দেশে এই সুবিধা চালু হবে, তখন ব্যবহারকারীরা একটি নোটিফিকেশন পাবেন। এরপর Settings > Account > Username অপশনে গিয়ে নিজেদের পছন্দের ইউজারনেম সেট করতে পারবেন। পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা চাইলে একটি Username Key নির্ধারণ করতে পারবেন, যা জানলে তবেই অন্য কেউ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।মেটা জানিয়েছে, বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারী সংখ্যা ৩০০ কোটিরও বেশি। তাই একই ইউজারনেম একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করতে না পারে, সে কারণে আগে থেকে ইউজারনেম সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম সার্চ করে কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র যাদের কাছে নির্দিষ্ট ইউজারনেম থাকবে, তারাই সেই ব্যক্তিকে বার্তা পাঠাতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা চাইলে যেকোনো সময় এই ফিচার বন্ধ করতে বা নিজেদের ইউজারনেম পরিবর্তন করতে পারবেন।হোয়াটসঅ্যাপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রোডাক্ট প্রধান অ্যালিস নিউটন-রেক্স বলেন, নতুন কারও সঙ্গে পরিচয়ের সময় নিজের ফোন নম্বর শেয়ার করা অনেকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে, কারণ ফোন নম্বর ব্যক্তিগত তথ্য এবং জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবার সঙ্গে যুক্ত। ইউজারনেম ফিচার ব্যবহারকারীদের সেই গোপনীয়তা রক্ষা এবং ফোন নম্বর কারা দেখতে পাবে, সে বিষয়ে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দেবে।তবে প্রাথমিকভাবে ইউজারনেম অন্যদের জানাতে হবে লিখিত বার্তা বা মুখে বলার মাধ্যমে। এখনই কিউআর কোড স্ক্যান করে শুধু ইউজারনেমের সাহায্যে যোগাযোগের সুবিধা থাকছে না।উল্লেখ্য, প্রতিদ্বন্দ্বী মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম, সিগন্যাল এবং ওয়্যারের মতো অ্যাপগুলোতে বহু বছর ধরেই ইউজারনেমের মাধ্যমে ফোন নম্বর গোপন রেখে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন পদক্ষেপ গোপনীয়তা সচেতন ব্যবহারকারীদের কাছে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
০৯ জুলাই ২০২৬
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে রিয়াদ এয়ার

ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে রিয়াদ এয়ার

আগামী ৭ আগস্ট ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি দৈনিক ফ্লাইট চালুর আগে আজ থেকে এই রুটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে রিয়াদ এয়ার। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই রুটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে দৈনিক ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এই দৈনিক ফ্লাইট বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ভ্রমণ, বাণিজ্য ও পর্যটন সংযোগ আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে রিয়াদ এয়ারের সম্প্রসারিত নেটওয়ার্ক ও কোডশেয়ার অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক সংযোগ নিশ্চিত করবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই রুট দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত বিকাশমান বিমান পরিবহন বাজারগুলোর একটির প্রতি রিয়াদ এয়ারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং বাংলাদেশ-সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।ফ্লাইট সূচি অনুযায়ী, আরএক্স০৭৬৩ ফ্লাইট রিয়াদ থেকে স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ফিরতি আরএক্স০৭৬৪ ফ্লাইট স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে রিয়াদে অবতরণ করবে।রিয়াদ এয়ার জানিয়েছে, নতুন এই সেবা ব্যবসা, অবকাশ যাপন ও শিক্ষাসংক্রান্ত ভ্রমণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য রিয়াদকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।এয়ারলাইন্সটি আরও জানায়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বাজার এবং সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিবেচনায় এই রুট তাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।যাত্রীরা রিয়াদ এয়ারের ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্টদের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন। ফ্লাইটগুলো রিয়াদ এয়ারের বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে পরিচালিত হবে। উড়োজাহাজে বিজনেস এলিট, বিজনেস, প্রিমিয়াম ইকোনমি ও ইকোনমি—এই চারটি কেবিন শ্রেণি থাকবে। এতে সর্বাধুনিক ইন-ফ্লাইট বিনোদন ব্যবস্থা, ওয়্যারলেস সংযোগ এবং উন্নত যাত্রীসেবা সুবিধা থাকবে।সৌদি আরবের নতুন জাতীয় এয়ারলাইন্স রিয়াদ এয়ার দেশটির বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের বিকাশ এবং অর্থনীতির বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে গৃহীত বৃহত্তর বিমান পরিবহন কৌশলের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছে।
১০ জুন ২০২৬
শেখ নূর কুতুব আলম: বাংলার আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

শেখ নূর কুতুব আলম: বাংলার আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

বাংলার মধ্যযুগীয় ইতিহাসে পান্ডুয়া ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক সাধনার অন্যতম কেন্দ্র। এই শহরের খানকাগুলোতে যেমন ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার লাভ করত, তেমনি এখান থেকেই সমাজজীবনে নৈতিক নেতৃত্বও গড়ে উঠত। ১৩৫০ সালের কিছু আগে তৎকালীন বাংলার রাজধানী পান্ডুয়ায় তার জন্ম। তার প্রকৃত নাম নূরুদ্দীন নূরুল হক। ‘নূর কুতুবুল আলম’ তার উপাধি।তার পিতা ছিলেন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম ও সুফি শায়খ আলাউল হক। বংশপরিচয়ও ছিল সম্মানজনক—তিনি লাহোরের প্রসিদ্ধ সাধক শেখ আসাদের পৌত্র। পিতার মতো তিনি ছিলেন চিশতিয়া তরিকার একজন বিশিষ্ট পীর। ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ ছিলেন তার সহপাঠী ও বন্ধু। কিন্তু বংশগৌরবের চেয়েও বড় ছিল তার ব্যক্তিত্ব, জ্ঞান, দূরদর্শিতা এবং মানুষের জন্য আত্মনিবেদিত জীবন।ব্যক্তিগত জীবন ও আধ্যাত্মিক সাধনানূর কুতুব আলম তাঁর পিতার আমল থেকে সব ধরনের কায়িক শ্রমের অভ্যাস করতেন। দরগায় আগত ফকিরদের কাপড় ধোয়া, লাকড়ি ও পানি বহন, শীতকালে পীরের অজু করার জন্য সর্বদা পানি গরম রাখা, এমনকি খানকাহসংলগ্ন শৌচাগার পরিষ্কার করা প্রভৃতি কাজে তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন।আজকের সময়ে নেতৃত্বকে আমরা প্রায়ই ক্ষমতা, প্রভাব কিংবা সামাজিক মর্যাদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। অথচ নূর কুতুব আলমের জীবন আমাদের শেখায়, প্রকৃত নেতৃত্ব শুরু হয় সেবার মাধ্যমে। যে মানুষ নিজের হাতে মানুষের কষ্ট লাঘব করতে পারে, তিনিই প্রকৃত অর্থে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন।রাজনৈতিক সংকটে নূর কুতুব আলমের ভূমিকানূর কুতুব আলমের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হয় এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের সময়। ১৪১৫ খ্রিস্টাব্দে রাজা গণেশ নামক একজন হিন্দু শাসক ইলিয়াস শাহি বংশ উত্খাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি মুসলমানের ওপর নজিরবিহীন জুলুম-নির্যাতন শুরু করেন। এমনকি শায়খ ও আলেমদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার শুরু করেন।বিশেষ করে ধর্মীয় নেতৃত্ব, আলেম-ওলামা এবং সাধারণ মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থে উল্লেখিত হয়েছে। বাংলার মুসলিম সমাজ গভীর অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে শেখ নূর কুতুব আলম নীরব থাকেননি। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, কেবল খানকায় বসে ইবাদত করাই একজন আধ্যাত্মিক নেতার একমাত্র দায়িত্ব নয়; মানুষের জীবন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্যও এগিয়ে আসতে হয়। তার এই অবস্থান প্রমাণ করে, ইসলামী আধ্যাত্মিকতার প্রকৃত শিক্ষা সমাজবিমুখতা নয়; বরং মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন।কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও রাজা গণেশের সাথে সমঝোতাবাংলার মুসলমানদের রক্ষার জন্য তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি জৌনপুরের সুলতান ইবরাহিম শর্কিকে বাংলা আক্রমণ করে বাংলাকে গণেশের হাত থেকে রক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লেখেন। একই সঙ্গে তিনি প্রসিদ্ধ সুফি ব্যক্তিত্ব মীর সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানিকেও অনুরোধ করেন, যেন তিনিও ইবরাহিম শর্কিকে বাংলার মুসলমানদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করেন।সুলতান ইবরাহিম শর্কি এই অনুরোধ রক্ষা করে বাংলা আক্রমণের উদ্দেশ্যে পিরোজপুর এসে শিবির স্থাপন করেন। রাজা গণেশ এতে ভয় পেয়ে নূর কুতুব আলমের কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে ক্ষমা করে ইবরাহিম শর্কিকে জৌনপুরে ফিরে যেতে বলার অনুরোধ জানান।কিন্তু নূর কুতুব আলম এতে সম্মত হননি। তিনি জানিয়ে দেন, একজন মুসলিম শাসককে কোনো অমুসলিম শাসকের পক্ষ নিয়ে তিনি ফিরিয়ে দিতে পারেন না। বরং পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি রাজা গণেশকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানান। গণেশ তাতে সম্মত হন, কিন্তু বিস্তারিত শুনে তাঁর রানি এতে বাধা দেন। গণেশ তখন তার ১২ বছরের ছেলে যদুকে নিয়ে শায়খের কাছে আসেন। যদুকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে 'জালালুদ্দীন' নাম দেওয়া হয় এবং গণেশ তার পক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন।এই ঘটনার মধ্য দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয় এবং বাংলার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অন্তত সাময়িকভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।পরবর্তী পরিস্থিতি ও নূর কুতুব আলমের দূরদর্শিতাশায়খের মৃত্যুর পর গণেশ অবশ্য যদুকে হিন্দু ধর্মে পুনরায় দীক্ষিত করে নিজে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। কিন্তু রাজা গণেশের মৃত্যু হলে যদু জালালুদ্দীন মুহাম্মদ শাহ উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং বাংলার মুসলিম শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।এই ঘটনাপ্রবাহে নূর কুতুব আলমের দূরদর্শিতার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি হয়তো জানতেন, একটি সংকটময় সময়ে আপসের মধ্য দিয়েও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পথ তৈরি করা যায়।রচিত গ্রন্থসমূহ ও আধ্যাত্মিক উত্তরসূরিতিনি শুধু নিজের আধ্যাত্মিক সাধনায় সীমাবদ্ধ থাকেননি; পরবর্তী প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রতিও ছিলেন সমান মনোযোগী। তাঁর রচিত গ্রন্থ সংখ্যা ১২১টি। সেগুলো তার প্রধান মুরিদ ও খলিফা হুসামুদ্দিন মানিকপুরী সম্পাদনা করেন। তন্মধ্যে বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হলো মুগিসুল ফুকারা ও আনিসুল গুরাবা।মুগিসুল ফুকারার একটি পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে বিহারের ভাগলপুরের খলিফাবাগ একটি প্রাইভেট লাইব্রেরিতে। আরেকটি অসম্পূর্ণ কপি সংরক্ষিত আছে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল কলিকাতার লাইব্রেরিতে (সংগ্রহ নং- ৪৬৬)। সেখানে আনিসুল গুরাবা বইটির ২টি কপি সংরক্ষিত আছে (সংগ্রহ নং: ১২১২ ও ১২১৩)।তিনি তাঁর দুই পুত্র শেখ রাফকাতউদ্দীন এবং শেখ আনোয়ারকে আধ্যাত্মিক শিক্ষা দেন। সম্ভবত পিতার জীবদ্দশায় শেখ আনোয়ার রাজা গণেশের হাতে সোনারগাঁয়ে শহীদ হন। শেখ নূর কুতুব আলমের অন্য আর একজন প্রধান মুরিদ ছিলেন শেখ হুসামুদ্দীন মানিকপুরী।পত্র সংকলন ও ঐতিহাসিক দলিলনূর কুতুব আলমের ১৩টি পত্রের একটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন মুহাদ্দিস আব্দুল হক দেহলভী। যে গ্রন্থের নাম মাকতুবাত ই নূর কুতুবুল আলম। এটি দিল্লির ইন্ডিয়ান আর্কাইভে সংরক্ষিত আছে। এই পত্রগুলো থেকে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।সুলতানদের শ্রদ্ধা ও দরগাহের গুরুত্বশেখ নূর কুতুব আলমের প্রতি পরবর্তী সুলতানদের শ্রদ্ধাও ছিল অসাধারণ। তার দরগাহ সংলগ্ন সরাইখানা ও মাদরাসার ব্যয় নির্বাহের জন্য সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ কয়েকটি গ্রাম দান করেন। দরবেশের মাজার জিয়ারতের জন্য সুলতান বছরে একবার রাজধানী শহর একডালা থেকে পান্ডুয়ায় আসতেন।শায়খ নূর কুতুব আলম পান্ডুয়ার পীর-আউলিয়ার মধ্যে শীর্ষ মর্যাদার অধিকারীদের অন্যতম। পিতা-পুত্র দুজনই পান্ডুয়ার বিখ্যাত শাশ হাজারি দরগায় শায়িত আছেন। পিতার মতো তিনি চিশতিয়া মতাদর্শের পীর ছিলেন। তাঁর অনুসারী শিষ্যকুল ও দরবেশরা কয়েক শতক ধরে বাংলায় মুসলিম সমাজজীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে শায়খ নূর কুতুব আলমের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান বাংলার মুসলিম শাসন রাজা গণেশের হাত থেকে রক্ষা করা।মৃত্যুশেখ নূর কুতুব আলম ৮১৮ হিজরি বা ১৪১৫ খ্রিস্টাব্দে (বাংলাপিডিয়া ও উইকিপিডিয়া মতে) ইন্তেকাল করেন। তবে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৪৪৭ সালের ৭ জানুয়ারি তার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। তার ইন্তেকালের সঙ্গে একটি সুন্দর ফারসি অভিব্যক্তি যুক্ত হয়েছে—"নূর বানূর-শুদ", অর্থাৎ "আলো আলোতে বিলীন হয়ে গেল।"এই বাক্যটি যেন তার সমগ্র জীবনেরই প্রতীক। তিনি এমন এক আলোকবর্তিকা ছিলেন, যিনি নিজের জন্য নয়, মানুষের পথ আলোকিত করার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।ইতিহাসে বহু রাজা এসেছেন, বহু সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে এবং বিলীন হয়েছে। কিন্তু যারা মানুষের হৃদয়ে নৈতিকতার আলো জ্বালিয়ে দেন, তাদের স্মৃতি যুগের পর যুগ অম্লান থাকে। শেখ নূর কুতুব আলম সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন, যার জীবন বাংলার ইতিহাসে আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিক সাহসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আজও আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, শায়েখ আব্দুল হক দেহলভী, আকবারুল উখিয়া ফি আসরারুল আবরার, সোস্যাল হিস্টোরি অফ দ্যা মুসলিম ইন ব্যাঙ্গাল।
ফিরোজ আল মামুন