ঢাকা    শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আসল নাকি নকল?

মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আসল নাকি নকল?

২০০৭ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার জন্য ঐতিহাসিক মহাস্থান জাদুঘর থেকে পাঠানো ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রদর্শনী শেষে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই দীর্ঘদিন জাদুঘরের সংরক্ষণাগারে রাখা ছিল। এবার তা যাচাইয়ে যাচ্ছে বিশেষজ্ঞ দল। শনিবার (৩০ মে) শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ওই বৈঠকে তদন্ত কমিটির মেয়াদ ১৫ কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটি গঠন
এর আগে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো আসল নাকি রেপ্লিকা পাঠানো হয়েছে তা যাচাইয়ের জন্য গত ১১ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বিশেষজ্ঞ দল
মূর্তিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কমিটির সদস্যরা প্রতিমন্ত্রীকে এই পর্যন্ত তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সম্পর্কে অবহিত করেন।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের বক্তব্য
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, মহাস্থানগড় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য। তদন্তের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে এবং বর্ধিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করার আশা করা হচ্ছে।

মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্ননিদর্শনের সত্যতা নিয়ে দীর্ঘদিন পর বৈজ্ঞানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের পর জানা যাবে, এগুলো আসল নাকি নকল। মহাস্থানগড় দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য হওয়ায় এই তদন্তের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আসল নাকি নকল?

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image
২০০৭ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার জন্য ঐতিহাসিক মহাস্থান জাদুঘর থেকে পাঠানো ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রদর্শনী শেষে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই দীর্ঘদিন জাদুঘরের সংরক্ষণাগারে রাখা ছিল। এবার তা যাচাইয়ে যাচ্ছে বিশেষজ্ঞ দল। শনিবার (৩০ মে) শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ওই বৈঠকে তদন্ত কমিটির মেয়াদ ১৫ কার্যদিবস বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।তদন্ত কমিটি গঠনএর আগে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো আসল নাকি রেপ্লিকা পাঠানো হয়েছে তা যাচাইয়ের জন্য গত ১১ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।বিশেষজ্ঞ দলমূর্তিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কমিটির সদস্যরা প্রতিমন্ত্রীকে এই পর্যন্ত তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সম্পর্কে অবহিত করেন।তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের বক্তব্যতদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, মহাস্থানগড় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য। তদন্তের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে এবং বর্ধিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করার আশা করা হচ্ছে।মহাস্থান জাদুঘরের ৪৭টি প্রত্ননিদর্শনের সত্যতা নিয়ে দীর্ঘদিন পর বৈজ্ঞানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের পর জানা যাবে, এগুলো আসল নাকি নকল। মহাস্থানগড় দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য হওয়ায় এই তদন্তের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা