ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধস, নিহত ৮

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধস, নিহত ৮

কক্সবাজারের একটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে একটি মেয়েদের স্কুল চাপা পড়ে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারের উপকূলীয় এই শিবিরে ইসলামিক স্টাডি সেন্টারটি কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে। এরপর উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘটনার সময় স্কুলটিতে কতজন ছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, উদ্ধারকর্মীরা কাদার নিচে চাপা পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেছেন। এর মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় জেলা কর্মকর্তা পান্না আক্তার বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'তাদের মধ্যে কেউ সাত, আট, ১১ বা ১২ বছর বয়সী।' অন্য পাঁচ শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

গত রোববার থেকে টানা বর্ষণে কক্সবাজারে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার থেকে ভূমিধসে অন্তত আটজন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু ছিল।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রাণে বাঁচতে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এই সম্প্রদায়ের অধিকাংশই মুসলিম এবং মিয়ানমারের সরকার তাদের নাগরিকত্ব দেয় না। তারা বাংলাদেশের খাড়া পাহাড়ি ঢালে টারপলিন ও বাঁশের তৈরি অস্থায়ী ঘরে বসবাস করছেন।

আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কর্তৃপক্ষ আরও ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে পরিবারগুলোর সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধস, নিহত ৮

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
কক্সবাজারের একটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে একটি মেয়েদের স্কুল চাপা পড়ে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারের উপকূলীয় এই শিবিরে ইসলামিক স্টাডি সেন্টারটি কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে। এরপর উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘটনার সময় স্কুলটিতে কতজন ছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, উদ্ধারকর্মীরা কাদার নিচে চাপা পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেছেন। এর মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় জেলা কর্মকর্তা পান্না আক্তার বিবিসি বাংলাকে বলেন, 'তাদের মধ্যে কেউ সাত, আট, ১১ বা ১২ বছর বয়সী।' অন্য পাঁচ শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।গত রোববার থেকে টানা বর্ষণে কক্সবাজারে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার থেকে ভূমিধসে অন্তত আটজন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু ছিল।২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রাণে বাঁচতে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এই সম্প্রদায়ের অধিকাংশই মুসলিম এবং মিয়ানমারের সরকার তাদের নাগরিকত্ব দেয় না। তারা বাংলাদেশের খাড়া পাহাড়ি ঢালে টারপলিন ও বাঁশের তৈরি অস্থায়ী ঘরে বসবাস করছেন।আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কর্তৃপক্ষ আরও ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে পরিবারগুলোর সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা