ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

ইরান যুদ্ধ আরও ছয় মাস চলতে পারে: সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ আরও ছয় মাস চলতে পারে: সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা ইরান যুদ্ধ আরও ছয় মাস চলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা। এমন এক সময়ে তিনি এ কথা বললেন যখন এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যানেটা বলেন, ছয় মাসের বেশি সময় আগে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তা মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধে’ রূপ নেওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। যুদ্ধের শেষ কোথায়, তারও কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।

বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্যানেটা। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যে ভয়াবহ অচলাবস্থায় আটকে গেছে, তা কোনো রহস্য নয়। এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর মতো বিকল্প এখন সত্যিই খুব কম।’

সংঘাতটি ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো মধ্যপ্রাচ্যে ‘আরেকটি ব্যর্থ যুদ্ধে’ পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে বলে মনে করেন প্যানেটা। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, সমাধান হওয়া ছাড়াই এই যুদ্ধের আরও ছয় মাস চলার সম্ভাবনাই বেশি।’

সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনীর বেসামরিক প্রধান (আর্মি সেক্রেটারি) ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন। এর কয়েক দিন পর গার্ডিয়ানকে সাক্ষাৎকার দেন প্যানেটা। একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে মতবিরোধের খবরের মধ্যে ড্রিসকল দায়িত্ব ছাড়েন।

যুদ্ধ খারাপভাবে চলছে শুধু তা-ই নয়। একই সঙ্গে জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করা আমাদের সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনী যথাযথভাবে সহায়তা করছে কি না, তা নিয়েও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

— লিওন প্যানেটা, সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্যানেটা বলেন, ‘এমন এক সময়ে মার্কিন সেনাসদস্যরা যুদ্ধে যাচ্ছেন, যখন পেন্টাগনে, কমান্ড কাঠামোয় ব্যাপক অস্থিরতা চলছে। এতে এমন একটা ধারণা তৈরি হচ্ছে যে আসলে কেউই দায়িত্বে নেই।’

প্যানেটা বলেন, ‘ইরান হোক কিংবা আমাদের অন্য প্রতিপক্ষ, তারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে দৃষ্টি রাখছে। তারা দেখছে, নিজেদের রক্ষায় সামরিক শক্তি কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়েছে।’

সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক এক বিশ্বে বাস করছি। চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া ও সন্ত্রাসবাদের দিক থেকে আমাদের জন্য বড় ধরনের হুমকি রয়েছে। ইরানও এর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষদের কাছে দুর্বলতার বার্তা পাঠাচ্ছি, এ বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।’

‘তারা যে অক্ষ গড়ে তুলেছে, সেটার আওতায় তারা পরস্পরের সঙ্গে বৈঠক করছে এবং একে অন্যকে সমর্থন দিচ্ছে। আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বেশ দুর্বল হিসেবেই দেখছে। আর আমরা যখন এ ধরনের হুমকির মুখে আছি, তখন এমন (দুর্বলতার) বার্তা পাঠানো খুবই ভয়াবহ।’

প্যানেটার মতে, ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি বিকল্প রয়েছে। প্রথমটি হলো, সরে গিয়ে ‘স্বীকার করা যে এটি একটি ব্যর্থ যুদ্ধ’। তবে ট্রাম্পকে এমনটা করতে দেখাটা কঠিন বলে মনে করেন প্যানেটা। দ্বিতীয়টি হলো বর্তমান ‘অচলাবস্থা’ আরও দীর্ঘায়িত করা। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষই ‘পাল্টাপাল্টি হামলা’ চালিয়ে যাবে এবং ‘আরও ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু হওয়া এড়ানোর’ চেষ্টা করবে। তবে কেউই আলোচনায় বসবে না বা আত্মসমর্পণ করবে না। প্যানেটার বিশ্বাস, এ পথে এগোলে ‘সব পক্ষ যে বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা করেছিল’, সেটিই ঘটবে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হবে।

তৃতীয় বিকল্প হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক হাতিয়ার’ তথা বিশ্ববাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত করার সক্ষমতা কেড়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

সিআইএর সাবেক এই পরিচালক বলেন, ‘অনেক কারণেই তিনি (ট্রাম্প) এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আটকে আছেন। শুধু তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই তা নয়, তিনি যেসব হুমকি দিচ্ছেন, সেগুলোও পুরোপুরি উপেক্ষা করা হচ্ছে।’

প্যানেটা আরও বলেন, বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে অত্যন্ত দীর্ঘ সময় মোতায়েন রাখার ঘটনা থেকে পেন্টাগন ও ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। রেকর্ড সময়ের ওই মোতায়েন শেষে জাহাজটি চলতি সপ্তাহে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানকে সহায়তা করতে জাহাজটি ২৬০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দরে না থেমে মোতায়েন ছিল। এ সময়ে জাহাজটিতে জীবনযাত্রার পরিস্থিতি ও সেনাসদস্যদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির খবর ছড়িয়েছে।

প্যানেটা বলেন, ‘মূল কথা হলো, সেনাসদস্যদের কোনো ধরনের পালাবদলের পরিকল্পনা ছাড়া আপনি অনির্দিষ্টকাল যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন রাখতে পারেন না।’ সাবেক এই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ খারাপভাবে চলছে শুধু তা-ই নয়। একই সঙ্গে জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করা আমাদের নারী ও পুরুষ সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনী যথাযথভাবে সহায়তা করছে কি না, তা নিয়েও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।’

বিষয় : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


ইরান যুদ্ধ আরও ছয় মাস চলতে পারে: সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা ইরান যুদ্ধ আরও ছয় মাস চলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা। এমন এক সময়ে তিনি এ কথা বললেন যখন এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন ট্রাম্প।যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যানেটা বলেন, ছয় মাসের বেশি সময় আগে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তা মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধে’ রূপ নেওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। যুদ্ধের শেষ কোথায়, তারও কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্যানেটা। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যে ভয়াবহ অচলাবস্থায় আটকে গেছে, তা কোনো রহস্য নয়। এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর মতো বিকল্প এখন সত্যিই খুব কম।’সংঘাতটি ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো মধ্যপ্রাচ্যে ‘আরেকটি ব্যর্থ যুদ্ধে’ পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে বলে মনে করেন প্যানেটা। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, সমাধান হওয়া ছাড়াই এই যুদ্ধের আরও ছয় মাস চলার সম্ভাবনাই বেশি।’সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনীর বেসামরিক প্রধান (আর্মি সেক্রেটারি) ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন। এর কয়েক দিন পর গার্ডিয়ানকে সাক্ষাৎকার দেন প্যানেটা। একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে মতবিরোধের খবরের মধ্যে ড্রিসকল দায়িত্ব ছাড়েন।যুদ্ধ খারাপভাবে চলছে শুধু তা-ই নয়। একই সঙ্গে জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করা আমাদের সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনী যথাযথভাবে সহায়তা করছে কি না, তা নিয়েও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।— লিওন প্যানেটা, সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্যানেটা বলেন, ‘এমন এক সময়ে মার্কিন সেনাসদস্যরা যুদ্ধে যাচ্ছেন, যখন পেন্টাগনে, কমান্ড কাঠামোয় ব্যাপক অস্থিরতা চলছে। এতে এমন একটা ধারণা তৈরি হচ্ছে যে আসলে কেউই দায়িত্বে নেই।’প্যানেটা বলেন, ‘ইরান হোক কিংবা আমাদের অন্য প্রতিপক্ষ, তারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে দৃষ্টি রাখছে। তারা দেখছে, নিজেদের রক্ষায় সামরিক শক্তি কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়েছে।’সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক এক বিশ্বে বাস করছি। চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া ও সন্ত্রাসবাদের দিক থেকে আমাদের জন্য বড় ধরনের হুমকি রয়েছে। ইরানও এর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষদের কাছে দুর্বলতার বার্তা পাঠাচ্ছি, এ বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।’‘তারা যে অক্ষ গড়ে তুলেছে, সেটার আওতায় তারা পরস্পরের সঙ্গে বৈঠক করছে এবং একে অন্যকে সমর্থন দিচ্ছে। আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বেশ দুর্বল হিসেবেই দেখছে। আর আমরা যখন এ ধরনের হুমকির মুখে আছি, তখন এমন (দুর্বলতার) বার্তা পাঠানো খুবই ভয়াবহ।’প্যানেটার মতে, ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি বিকল্প রয়েছে। প্রথমটি হলো, সরে গিয়ে ‘স্বীকার করা যে এটি একটি ব্যর্থ যুদ্ধ’। তবে ট্রাম্পকে এমনটা করতে দেখাটা কঠিন বলে মনে করেন প্যানেটা। দ্বিতীয়টি হলো বর্তমান ‘অচলাবস্থা’ আরও দীর্ঘায়িত করা। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষই ‘পাল্টাপাল্টি হামলা’ চালিয়ে যাবে এবং ‘আরও ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু হওয়া এড়ানোর’ চেষ্টা করবে। তবে কেউই আলোচনায় বসবে না বা আত্মসমর্পণ করবে না। প্যানেটার বিশ্বাস, এ পথে এগোলে ‘সব পক্ষ যে বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা করেছিল’, সেটিই ঘটবে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হবে।তৃতীয় বিকল্প হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক হাতিয়ার’ তথা বিশ্ববাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত করার সক্ষমতা কেড়ে নেওয়া সম্ভব হবে।সিআইএর সাবেক এই পরিচালক বলেন, ‘অনেক কারণেই তিনি (ট্রাম্প) এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আটকে আছেন। শুধু তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই তা নয়, তিনি যেসব হুমকি দিচ্ছেন, সেগুলোও পুরোপুরি উপেক্ষা করা হচ্ছে।’প্যানেটা আরও বলেন, বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে অত্যন্ত দীর্ঘ সময় মোতায়েন রাখার ঘটনা থেকে পেন্টাগন ও ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। রেকর্ড সময়ের ওই মোতায়েন শেষে জাহাজটি চলতি সপ্তাহে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানকে সহায়তা করতে জাহাজটি ২৬০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দরে না থেমে মোতায়েন ছিল। এ সময়ে জাহাজটিতে জীবনযাত্রার পরিস্থিতি ও সেনাসদস্যদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির খবর ছড়িয়েছে।প্যানেটা বলেন, ‘মূল কথা হলো, সেনাসদস্যদের কোনো ধরনের পালাবদলের পরিকল্পনা ছাড়া আপনি অনির্দিষ্টকাল যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন রাখতে পারেন না।’ সাবেক এই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ খারাপভাবে চলছে শুধু তা-ই নয়। একই সঙ্গে জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করা আমাদের নারী ও পুরুষ সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনী যথাযথভাবে সহায়তা করছে কি না, তা নিয়েও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।’

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা