গণবার্তা – সর্বশেষ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্লেষণ ও রিয়েল টাইম আপডেট

খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০ যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল: ইসরায়েল সেনাবাহিনী

খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০ যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল: ইসরায়েল সেনাবাহিনী

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংসের অভিযানে ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই। শুক্রবার (৬ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমান বাহিনীর প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান ওই বাঙ্কারে অভিযান চালায়, যা খুবই সুরক্ষিত জায়গা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এখান থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতেন।

বাঙ্কারের বিবরণ

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারটি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি পুরো সড়ক জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এখানে ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত কক্ষ ছিল যা অনেকগুলো প্রবেশপথ দ্বারা যুক্ত।

আভিচাই আদরাই আরও জানান, খামেনিকে হত্যার পরও ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কমপ্লেক্সটি ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিলেন।

যে অভিযানে নিহত হন খামেনি

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর ইরানে ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

এই হামলা ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ। অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, বিমানঘাঁটি এবং নেতৃত্ব লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা – সর্বশেষ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্লেষণ ও রিয়েল টাইম আপডেট

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০ যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল: ইসরায়েল সেনাবাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংসের অভিযানে ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই। শুক্রবার (৬ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান তিনি।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমান বাহিনীর প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান ওই বাঙ্কারে অভিযান চালায়, যা খুবই সুরক্ষিত জায়গা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এখান থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতেন।বাঙ্কারের বিবরণইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারটি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি পুরো সড়ক জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এখানে ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত কক্ষ ছিল যা অনেকগুলো প্রবেশপথ দ্বারা যুক্ত।আভিচাই আদরাই আরও জানান, খামেনিকে হত্যার পরও ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কমপ্লেক্সটি ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিলেন।যে অভিযানে নিহত হন খামেনিপ্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর ইরানে ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে।এই হামলা ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ। অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, বিমানঘাঁটি এবং নেতৃত্ব লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

গণবার্তা – সর্বশেষ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্লেষণ ও রিয়েল টাইম আপডেট

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ 
প্রকাশকঃ ফিরোজ আল-মামুন 

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা