গণবার্তা

মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ওষুধের দোকানি আটক

মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ওষুধের দোকানি আটক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে এক ওষুধের দোকানিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক খলিলুর রহমান (৪৫) কোনো ধরনের সনদ ছাড়াই মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার নিজ ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের খতনা করে আসছিলেন। তিনি এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান।

গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন খলিল। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করে।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরদিন ২২ মার্চ পরিবার তাদের নাতিকে খতনা করাতে খলিলের ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। খতনা করানোর সময় অবহেলায় খলিল শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলেন। ঘটনার পরপরই তিনি শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ হলেও এ ঘটনায় শিশুটির স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে খলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের পাল্টা হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলেও জানানো হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিশুর দাদার দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ওষুধের দোকানিকে আটক করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খলিল দাবি করেন, খতনার সময় শিশুটিকে ধরে রাখার দায়িত্বে থাকা পরিবারের একজন তাকে ছেড়ে দেন। এতে শিশুটি লাফ দিলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

ফার্মেসির সাইনবোর্ডে ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক’

পুলিশ জানিয়েছে, ‘খলিল মেডিকেল’ নামের ফার্মেসিটির মালিক খলিল প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসক নন, তিনি ফার্মাসিস্ট। তবে তার ফার্মেসির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সুন্নতে খতনা করানো হয়’। পুলিশ বলছে, তিনি কোনো ধরনের সনদ বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ করে আসছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ওষুধের দোকানি আটক

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে এক ওষুধের দোকানিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক খলিলুর রহমান (৪৫) কোনো ধরনের সনদ ছাড়াই মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার নিজ ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের খতনা করে আসছিলেন। তিনি এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত।শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান।গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন খলিল। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করে।কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনাঅভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরদিন ২২ মার্চ পরিবার তাদের নাতিকে খতনা করাতে খলিলের ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। খতনা করানোর সময় অবহেলায় খলিল শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলেন। ঘটনার পরপরই তিনি শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ হলেও এ ঘটনায় শিশুটির স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে খলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের পাল্টা হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলেও জানানো হয়েছে।পুলিশের বক্তব্যমোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিশুর দাদার দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ওষুধের দোকানিকে আটক করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খলিল দাবি করেন, খতনার সময় শিশুটিকে ধরে রাখার দায়িত্বে থাকা পরিবারের একজন তাকে ছেড়ে দেন। এতে শিশুটি লাফ দিলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।ফার্মেসির সাইনবোর্ডে ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক’পুলিশ জানিয়েছে, ‘খলিল মেডিকেল’ নামের ফার্মেসিটির মালিক খলিল প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসক নন, তিনি ফার্মাসিস্ট। তবে তার ফার্মেসির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সুন্নতে খতনা করানো হয়’। পুলিশ বলছে, তিনি কোনো ধরনের সনদ বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ করে আসছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা