ঢাকা    রোববার, ১০ মে ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ১০ মে ২০২৬
গণবার্তা

নবম পে-স্কেল: তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব, বাড়ছে বৈশাখী ও টিফিন ভাতা

নবম পে-স্কেল: তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব, বাড়ছে বৈশাখী ও টিফিন ভাতা

উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বিবেচনায় সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে নবম পে-স্কেল। জাতীয় বেতন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও পেনশন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

পেনশনভোগীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতনে এবারের সুপারিশে তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি খসড়া বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্ভর করবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব

নতুন বেতন কাঠামোতে কর্মচারীদের সামাজিক ও পারিবারিক প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো হলো—

বৈশাখী ভাতা: বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে দেওয়া হলেও এটি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

টিফিন ভাতা: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানের ২০০ টাকা ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

শিক্ষা ভাতা: সন্তানদের মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাস্তবায়নের সময়সীমা

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি খাতে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত লাখ লাখ মানুষের আর্থিক সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুনর্গঠিত কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এটি কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : পে স্কেল জাতীয় বেতন কমিশন

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ১০ মে ২০২৬


নবম পে-স্কেল: তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব, বাড়ছে বৈশাখী ও টিফিন ভাতা

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image
উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বিবেচনায় সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে নবম পে-স্কেল। জাতীয় বেতন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও পেনশন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।পেনশনভোগীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতনে এবারের সুপারিশে তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি খসড়া বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্ভর করবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবনতুন বেতন কাঠামোতে কর্মচারীদের সামাজিক ও পারিবারিক প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো হলো—বৈশাখী ভাতা: বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে দেওয়া হলেও এটি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।টিফিন ভাতা: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানের ২০০ টাকা ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।শিক্ষা ভাতা: সন্তানদের মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।বাস্তবায়নের সময়সীমাদীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি খাতে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত লাখ লাখ মানুষের আর্থিক সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুনর্গঠিত কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এটি কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা