ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
গণবার্তা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহে বিলম্বের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে নতুন অস্থিরতা।

চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা: আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা: আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।
সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হওয়ায় বিশ্ববাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে—বাজার বিশ্লেষকদের এমন আশঙ্কার কারণেই তেলের দাম নতুন করে বেড়েছে।মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৮৩.৪২ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১.১২ ডলারে উঠেছে।এর আগে গতকাল সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা হওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন হয়েছিল। ওই সময় আন্তর্জাতিক তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক ধাক্কায় ৪ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৩ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে এসেছিল।জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা নিয়ে এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক তেল পরিবহণ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ঠিক কত দিন সময় লাগবে, তা নিয়েও বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। মূলত এই ধোঁয়াশার কারণেই বিনিয়োগকারীদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী চাপ দেখা যাচ্ছে।এদিকে, দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক এই সমঝোতা নথিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, "প্রেসিডেন্ট নিজে এই নথিতে সরাসরি স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন, কারণ তিনি অত্যন্ত সফলভাবে এই শান্তি প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটানোর ব্যাপারে তার দৃঢ় অঙ্গীকার ও ব্যক্তিগত আগ্রহ প্রদর্শন করতে চেয়েছেন।"

বিষয় : ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা: আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image
আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হওয়ায় বিশ্ববাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে—বাজার বিশ্লেষকদের এমন আশঙ্কার কারণেই তেলের দাম নতুন করে বেড়েছে।মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৮৩.৪২ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১.১২ ডলারে উঠেছে।এর আগে গতকাল সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা হওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন হয়েছিল। ওই সময় আন্তর্জাতিক তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক ধাক্কায় ৪ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৩ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে এসেছিল।জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা নিয়ে এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক তেল পরিবহণ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ঠিক কত দিন সময় লাগবে, তা নিয়েও বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। মূলত এই ধোঁয়াশার কারণেই বিনিয়োগকারীদের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী চাপ দেখা যাচ্ছে।এদিকে, দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক এই সমঝোতা নথিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, "প্রেসিডেন্ট নিজে এই নথিতে সরাসরি স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন, কারণ তিনি অত্যন্ত সফলভাবে এই শান্তি প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটানোর ব্যাপারে তার দৃঢ় অঙ্গীকার ও ব্যক্তিগত আগ্রহ প্রদর্শন করতে চেয়েছেন।"

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা