ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি:

মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা পরিকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে তার তীব্র জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সমস্ত প্রধান অবকাঠামো একযোগে ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়েছে তেহরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধকালীন হুমকির বিপরীতে ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাগারি দেশীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ইরানের ওপর হামলা চালানোর পূর্বঘোষিত হুমকিগুলো বাস্তবায়ন করার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেন, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অত্যন্ত শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাতকঠিন আঘাতে সমগ্র অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো ও পরিকাঠামো এমনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে যাতে সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই আর অবশিষ্ট না থাকে।

এই কঠোর হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বর্তমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের অনধিকার প্রবেশ ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও তেহরানের অনমনীয় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে এবং কোনো উপায়েই তারা আমেরিকাকে একটি বহিরাগত ও এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে হরমুজ প্রণালীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নাক গলাতে দেবে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে এই জলপথের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য একটি অপরাজেয় লাল রেখা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের এই কঠোর সতর্কবার্তার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে পারস্য উপসাগরের কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তেলের দামও এই উত্তেজনার মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

বিষয় : ইরান-আমেরিকা-ইসরাইল যুদ্ধ

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ধ্বংস হবে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image
ইরানের অভ্যন্তরীণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা পরিকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে তার তীব্র জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সমস্ত প্রধান অবকাঠামো একযোগে ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সরাসরি হুমকি দিয়েছে তেহরান।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধকালীন হুমকির বিপরীতে ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাগারি দেশীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ইরানের ওপর হামলা চালানোর পূর্বঘোষিত হুমকিগুলো বাস্তবায়ন করার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেন, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অত্যন্ত শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ইস্পাতকঠিন আঘাতে সমগ্র অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো ও পরিকাঠামো এমনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে যাতে সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই আর অবশিষ্ট না থাকে।এই কঠোর হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বর্তমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের অনধিকার প্রবেশ ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও তেহরানের অনমনীয় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে এবং কোনো উপায়েই তারা আমেরিকাকে একটি বহিরাগত ও এই অঞ্চলের বাইরের দেশ হিসেবে হরমুজ প্রণালীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নাক গলাতে দেবে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে এই জলপথের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য একটি অপরাজেয় লাল রেখা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।ইরানের এই কঠোর সতর্কবার্তার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে পারস্য উপসাগরের কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তেলের দামও এই উত্তেজনার মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা