ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

দুই বছর আগে স্বামী ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালানো গৃহবধূর ট্রলি ব্যাগে মরদেহ

দুই বছর আগে স্বামী ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালানো গৃহবধূর ট্রলি ব্যাগে মরদেহ

দুই বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতের বিহারের এক গৃহবধূ। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে দামান শহরে একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে নিহতের বর্তমান সঙ্গী ও অভিযুক্ত প্রেমিক পলাতক রয়েছেন।

নিহতের নাম ছোটি কুমারী। তার বাড়ি বিহারের নওয়াদা জেলায়। সম্প্রতি দামান পুলিশের কাছে একটি ট্রলি ব্যাগে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর আসে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিহারে অবস্থানরত তার পরিবারকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বর্তমানে এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত প্রেমিক ঋষভ কুমারের সন্ধানে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে, বিবাহিত থাকা অবস্থাতেই ঋষভের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান ছোটি কুমারী। পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রায় দুই বছর আগে তিনি স্বামীকে ছেড়ে ঋষভের সঙ্গে পালিয়ে যান। সে সময় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ও অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে ওই গৃহবধূর আর কোনো সন্ধান পায়নি তার পরিবার।

তদন্তে জানা যায়, বিহার ছাড়ার পর ছোটি কুমারী ও ঋষভ দামান শহরে চলে আসেন। সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ দুই বছর পর ট্রলি ব্যাগে মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে পরিবারের দীর্ঘদিনের নিখোঁজ রহস্যের অবসান ঘটলেও, এই ঘটনা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঋষভই তাকে নৃশংসভাবে খুন করে পালিয়েছেন। কী কারণে এবং কীভাবে ওই নারীকে হত্যা করে লাশ ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা হলো, তা এখনো পুলিশের কাছে পরিষ্কার নয়। পলাতক ঋষভকে গ্রেপ্তারের পরই এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দামান পুলিশ জানিয়েছে, হত্যায় অভিযুক্ত লিভ-ইন সঙ্গী রিষভ কুমার ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করছে। নিহতের পরিবার দ্রুত ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছে।

বিষয় : ভারত

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


দুই বছর আগে স্বামী ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালানো গৃহবধূর ট্রলি ব্যাগে মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image
দুই বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতের বিহারের এক গৃহবধূ। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে দামান শহরে একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে নিহতের বর্তমান সঙ্গী ও অভিযুক্ত প্রেমিক পলাতক রয়েছেন।নিহতের নাম ছোটি কুমারী। তার বাড়ি বিহারের নওয়াদা জেলায়। সম্প্রতি দামান পুলিশের কাছে একটি ট্রলি ব্যাগে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর আসে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিহারে অবস্থানরত তার পরিবারকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বর্তমানে এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত প্রেমিক ঋষভ কুমারের সন্ধানে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।পুলিশ ও নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে, বিবাহিত থাকা অবস্থাতেই ঋষভের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান ছোটি কুমারী। পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রায় দুই বছর আগে তিনি স্বামীকে ছেড়ে ঋষভের সঙ্গে পালিয়ে যান। সে সময় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ও অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে ওই গৃহবধূর আর কোনো সন্ধান পায়নি তার পরিবার।তদন্তে জানা যায়, বিহার ছাড়ার পর ছোটি কুমারী ও ঋষভ দামান শহরে চলে আসেন। সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ দুই বছর পর ট্রলি ব্যাগে মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে পরিবারের দীর্ঘদিনের নিখোঁজ রহস্যের অবসান ঘটলেও, এই ঘটনা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঋষভই তাকে নৃশংসভাবে খুন করে পালিয়েছেন। কী কারণে এবং কীভাবে ওই নারীকে হত্যা করে লাশ ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা হলো, তা এখনো পুলিশের কাছে পরিষ্কার নয়। পলাতক ঋষভকে গ্রেপ্তারের পরই এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।দামান পুলিশ জানিয়েছে, হত্যায় অভিযুক্ত লিভ-ইন সঙ্গী রিষভ কুমার ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করছে। নিহতের পরিবার দ্রুত ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা