ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
গণবার্তা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামী ২০ আগস্ট, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই প্রার্থী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামী ২০ আগস্ট, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই প্রার্থী

আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। ভোট গ্রহণের আগে ব্যালট গ্রহণ, ভোট প্রদান ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের পদ্ধতি তুলে ধরেন।

ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ২০ আগস্টের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

তিনি বলেন, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট শুরুর আগে নির্বাচনকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন। এরপর শুরু হবে ভোট গ্রহণ।

ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি অংশ ও মূল ব্যালট পেপার। মুড়ি অংশে থাকবে ব্যালটের ক্রমিক নম্বর, ভোটদানকারী সংসদ সদস্যের নাম ও বিভক্তি নম্বর। নির্ধারিত স্থানে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করার পর মূল ব্যালট গ্রহণ করবেন।

মূল ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে। প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। ভোট দেওয়া শেষ হলে নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে গণনা।

ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। ভোট গণনার সময় কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে। যে প্রার্থী সর্বাধিক বৈধ ভোট পাবেন, নির্বাচনকর্তা তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে নির্বাচন কমিশনে ফিরে নির্বাচনের ফল অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করা হবে।

প্রার্থিতা প্রত্যাহার না হওয়ায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও রাষ্ট্রপতি পদে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামী ২০ আগস্ট, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই প্রার্থী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। ভোট গ্রহণের আগে ব্যালট গ্রহণ, ভোট প্রদান ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের পদ্ধতি তুলে ধরেন।ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ২০ আগস্টের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।তিনি বলেন, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট শুরুর আগে নির্বাচনকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন। এরপর শুরু হবে ভোট গ্রহণ।ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি অংশ ও মূল ব্যালট পেপার। মুড়ি অংশে থাকবে ব্যালটের ক্রমিক নম্বর, ভোটদানকারী সংসদ সদস্যের নাম ও বিভক্তি নম্বর। নির্ধারিত স্থানে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করার পর মূল ব্যালট গ্রহণ করবেন।মূল ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে। প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। ভোট দেওয়া শেষ হলে নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে গণনা।ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। ভোট গণনার সময় কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে। যে প্রার্থী সর্বাধিক বৈধ ভোট পাবেন, নির্বাচনকর্তা তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে নির্বাচন কমিশনে ফিরে নির্বাচনের ফল অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করা হবে।প্রার্থিতা প্রত্যাহার না হওয়ায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও রাষ্ট্রপতি পদে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা