গণবার্তা

কৃষক কার্ডে প্রণোদনা, সরকারি জমি উদ্ধারে ১৮০ দিনের পরিকল্পনা

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকার সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ দেয়া হবে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে ‘কৃষক কার্ডের’ মাধ্যমে এই প্রণোদনা দেয়া হবে।মন্ত্রী বলেন, কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা খাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪০১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ২৫ লাখ ২২ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন। কৃষকপ্রতি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন। চলতি অর্থবছরে সার, সেচে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ১৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে।পাশাপাশি কৃষকদের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৯ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি, ১০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি এবং ১৬ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার সরবরাহ করা হয়েছে। ফসল সংরক্ষণ সুবিধা বাড়াতে ১৮০টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ, ৭০৩টি আলু সংরক্ষণ মডেল ঘর এবং ৮০০টি পেঁয়াজ সংরক্ষণ মডেল ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।অন্যদিকে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানান, অবৈধ দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘The Government and Local Authority Lands and Buildings (Recovery of Possession) Ordinance, 1970’, ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ এবং ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪’ প্রয়োগের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায়ও সরকারি জমি উদ্ধার ও খাসজমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কৃষক কার্ডে প্রণোদনা, সরকারি জমি উদ্ধারে ১৮০ দিনের পরিকল্পনা