গণবার্তা

ভক্সওয়াগেন গাড়ি কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বানানোর পরিকল্পনা

ভক্সওয়াগেন গাড়ি কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বানানোর পরিকল্পনা

 জার্মান গাড়ি নির্মাতা ভক্সওয়াগেন তাদের একটি কারখানাকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের বরাতে ইয়েনিসাফাকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মানির ওসনাব্রুক শহরে অবস্থিত একটি কারখানাকে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। এ জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস-এর সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির আলোচনা চলছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ঝুঁকিতে থাকা কারখানাটির প্রায় ২ হাজার ৩০০ কর্মীর চাকরি টিকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কাছে এই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিপণনের সুযোগ তৈরি হবে।

সূত্রগুলো বলছে, চুক্তি চূড়ান্ত হলে আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই উৎপাদন শুরু হতে পারে।

এই উদ্যোগে জার্মান সরকারের সমর্থন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলের গাজা ও ইরানসংক্রান্ত সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে এই সহযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও বাড়ছে।

এই পদক্ষেপ ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে নতুন ধরনের শিল্প সহযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভক্সওয়াগেন সফল হলে বেসামরিক উৎপাদন থেকে সামরিক উৎপাদনে রূপান্তরের প্রবণতা বাড়তে পারে।

জার্মানির অন্যতম শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে গাড়ি শিল্প থেকে অস্ত্র শিল্পে রূপান্তরের এই পদক্ষেপ নৈতিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


ভক্সওয়াগেন গাড়ি কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বানানোর পরিকল্পনা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
 জার্মান গাড়ি নির্মাতা ভক্সওয়াগেন তাদের একটি কারখানাকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের বরাতে ইয়েনিসাফাকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মানির ওসনাব্রুক শহরে অবস্থিত একটি কারখানাকে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। এ জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস-এর সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির আলোচনা চলছে।এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ঝুঁকিতে থাকা কারখানাটির প্রায় ২ হাজার ৩০০ কর্মীর চাকরি টিকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কাছে এই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিপণনের সুযোগ তৈরি হবে।সূত্রগুলো বলছে, চুক্তি চূড়ান্ত হলে আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই উৎপাদন শুরু হতে পারে।এই উদ্যোগে জার্মান সরকারের সমর্থন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলের গাজা ও ইরানসংক্রান্ত সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে এই সহযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও বাড়ছে।এই পদক্ষেপ ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে নতুন ধরনের শিল্প সহযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভক্সওয়াগেন সফল হলে বেসামরিক উৎপাদন থেকে সামরিক উৎপাদনে রূপান্তরের প্রবণতা বাড়তে পারে।জার্মানির অন্যতম শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে গাড়ি শিল্প থেকে অস্ত্র শিল্পে রূপান্তরের এই পদক্ষেপ নৈতিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা