গণবার্তা

তিন বছরের কন্যাশিশুসহ পথ হারানো নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

তিন বছরের কন্যাশিশুসহ পথ হারানো নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে তিন বছরের কন্যাশিশুসহ পথ হারিয়ে ফেলা এক নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ছয় ব্যক্তি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে, গত ১৯ এপ্রিল নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী এলাকায় একটি বিলের পাশে ওই নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এরপর থেকে তিনি উপজেলার কান্দিউড়া গ্রামের মতি মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয়ে ছিলেন। স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে।

সুজন মিয়া নামে এক অটোরিকশাচালক জানান, গত রবিবার রাতে নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী বাজারে অটোরিকশা চালাচ্ছিলেন। সে সময় কোলে একটি শিশু নিয়ে এক নারীকে কাঁদতে দেখে কাছে গিয়ে জানতে চান কী হয়েছে? ওই নারী তাকে জানান, বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চার জন মিলে তাকে একটি বিলের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। পরে অন্য দুই জন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিলের পাশে ধর্ষণের সময় কোলে থাকা শিশুটি কান্না করলে অভিযুক্তরা শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী শিশুটিকে জাপটে ধরে রাখেন। সে সময় ধর্ষণকারীরা শিশুটির চোখে ঘুষি মারেন। এসব বর্ণনা শুনে ভুক্তভোগীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান সুজন মিয়া। পরে তাদের প্রতিবেশী মতি মিয়ার স্ত্রী ওই নারীকে তাদের বাড়িতে থাকতে দেন।

নির্যাতনের শিকার নারী জানান, গত রবিবার বিকেলে বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে শ্বশুরবাড়ি ভালুকা যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিল তার তিন বছরের কন্যাশিশু। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় তিনি পথ হারিয়ে ফেলেন। পরে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চার জন বিলের পাশে ও দুই জন বাড়িতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ওই নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তাকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


তিন বছরের কন্যাশিশুসহ পথ হারানো নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ময়মনসিংহের নান্দাইলে তিন বছরের কন্যাশিশুসহ পথ হারিয়ে ফেলা এক নারীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ছয় ব্যক্তি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে, গত ১৯ এপ্রিল নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী এলাকায় একটি বিলের পাশে ওই নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এরপর থেকে তিনি উপজেলার কান্দিউড়া গ্রামের মতি মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয়ে ছিলেন। স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে।সুজন মিয়া নামে এক অটোরিকশাচালক জানান, গত রবিবার রাতে নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী বাজারে অটোরিকশা চালাচ্ছিলেন। সে সময় কোলে একটি শিশু নিয়ে এক নারীকে কাঁদতে দেখে কাছে গিয়ে জানতে চান কী হয়েছে? ওই নারী তাকে জানান, বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চার জন মিলে তাকে একটি বিলের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। পরে অন্য দুই জন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিলের পাশে ধর্ষণের সময় কোলে থাকা শিশুটি কান্না করলে অভিযুক্তরা শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী শিশুটিকে জাপটে ধরে রাখেন। সে সময় ধর্ষণকারীরা শিশুটির চোখে ঘুষি মারেন। এসব বর্ণনা শুনে ভুক্তভোগীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান সুজন মিয়া। পরে তাদের প্রতিবেশী মতি মিয়ার স্ত্রী ওই নারীকে তাদের বাড়িতে থাকতে দেন।নির্যাতনের শিকার নারী জানান, গত রবিবার বিকেলে বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে শ্বশুরবাড়ি ভালুকা যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিল তার তিন বছরের কন্যাশিশু। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় তিনি পথ হারিয়ে ফেলেন। পরে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চার জন বিলের পাশে ও দুই জন বাড়িতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ওই নারী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তাকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা