ঢাকা    রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করলো এক বীর ফিলিস্তিনি

অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করলো এক বীর ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিমতীরের 'তেল' গ্রামে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরপরই এক ফিলিস্তিনি বীর দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই সেনাকে হত্যা করে।

এই সংঘাতের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতভর সমগ্র পশ্চিমতীরজুড়ে ব্যাপক তাণ্ডব ও অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের অজুহাতে আরও কয়েকশ সাধারণ মানুষকে চরম হেনস্তা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা যাদের আটক করেছে তারা সবাই আন্তর্জাতিকভাবে কিংবা স্থানীয়ভাবে 'ওয়ান্টেড' ছিল এবং ফিলিস্তিনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসসহ অন্যান্য স্বাধীনতাকামী সংগঠনের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে। সেনাবাহিনী আরও নিশ্চিত করেছে যে, তেল গ্রামে অবৈধ সেটেলারদের রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর সেখান থেকেই ১১ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রায় ৮০ জনের বেশি মানুষকে ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অন্যদিকে, পশ্চিমতীরের জেনিন এলাকায় প্রায় ৩০০টিরও বেশি স্থান বা সাইটে একযোগে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনাসদস্যরা। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, আটককৃতরা বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে কোনো বাস্তব প্রমাণ বা তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি দখলদার বাহিনী।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরায়েলের এই সহিংসতা বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘও পশ্চিমতীরে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করলো এক বীর ফিলিস্তিনি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিমতীরের 'তেল' গ্রামে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরপরই এক ফিলিস্তিনি বীর দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই সেনাকে হত্যা করে।এই সংঘাতের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতভর সমগ্র পশ্চিমতীরজুড়ে ব্যাপক তাণ্ডব ও অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের অজুহাতে আরও কয়েকশ সাধারণ মানুষকে চরম হেনস্তা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা যাদের আটক করেছে তারা সবাই আন্তর্জাতিকভাবে কিংবা স্থানীয়ভাবে 'ওয়ান্টেড' ছিল এবং ফিলিস্তিনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসসহ অন্যান্য স্বাধীনতাকামী সংগঠনের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে। সেনাবাহিনী আরও নিশ্চিত করেছে যে, তেল গ্রামে অবৈধ সেটেলারদের রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর সেখান থেকেই ১১ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রায় ৮০ জনের বেশি মানুষকে ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।অন্যদিকে, পশ্চিমতীরের জেনিন এলাকায় প্রায় ৩০০টিরও বেশি স্থান বা সাইটে একযোগে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনাসদস্যরা। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, আটককৃতরা বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে কোনো বাস্তব প্রমাণ বা তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি দখলদার বাহিনী।ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরায়েলের এই সহিংসতা বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘও পশ্চিমতীরে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা