গণবার্তা

মোদির না আসা, তারেক-মোদির ফোনালাপে নতুন ভূরাজনৈতিক বার্তা!

বিএনপির শপথে ১৩ রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ

বিএনপির শপথে ১৩ রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়।

অন্তর্বর্তী সরকার এ উপলক্ষে ১৩ রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমন্ত্রিতদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, চীনের সরকার প্রধান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানের সরকার প্রধানরা।

তবে এনডিটিভি জানিয়েছে, মোদি ঢাকায় আসছেন না। তার আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের শিডিউল থাকায় তিনি শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। তার বদলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অথবা ভাইস প্রেসিডেন্ট সিপি রাধাকৃষ্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এই শপথ অনুষ্ঠান ভূরাজনীতির দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিএনপির নতুন নেতা তারেক রহমান ভারত, পাকিস্তান ও চীনসহ সব আঞ্চলিক মিত্রের সঙ্গে সমান সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ থাকলেও শুক্রবার মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তারেক রহমান। ওই সময় মোদি তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ আমন্ত্রিত দেশগুলোর সরকারপ্রধানকে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয় ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের মাধ্যমে শপথ নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


বিএনপির শপথে ১৩ রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়।অন্তর্বর্তী সরকার এ উপলক্ষে ১৩ রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমন্ত্রিতদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, চীনের সরকার প্রধান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানের সরকার প্রধানরা।তবে এনডিটিভি জানিয়েছে, মোদি ঢাকায় আসছেন না। তার আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের শিডিউল থাকায় তিনি শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। তার বদলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অথবা ভাইস প্রেসিডেন্ট সিপি রাধাকৃষ্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন।কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এই শপথ অনুষ্ঠান ভূরাজনীতির দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিএনপির নতুন নেতা তারেক রহমান ভারত, পাকিস্তান ও চীনসহ সব আঞ্চলিক মিত্রের সঙ্গে সমান সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ থাকলেও শুক্রবার মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তারেক রহমান। ওই সময় মোদি তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেন।অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ আমন্ত্রিত দেশগুলোর সরকারপ্রধানকে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয় ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের মাধ্যমে শপথ নেবেন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা