গণবার্তা

প্রতিপাদ্য: ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

আজ ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্যখাতে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে - ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরপেক্ষ পৃথিবী গড়ে তুলতে “এক স্বাস্থ্য” (ওয়ান হেলথ) ধারণা বাস্তবায়ন জরুরি, যেখানে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সুস্থতা পরস্পর নির্ভরশীল।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার স্বাস্থ্যসেবাকে আরো কার্যকর করতে পারে। তিনি ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতিতে গুরুত্ব দিয়ে সবার জন্য সহজ, সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এছাড়া স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ, ই-হেলথ কার্ড চালু, স্বাস্থ্যবিমা সম্প্রসারণ, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জমান চৌধুরী।

১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই বছরের জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই আইন কার্যকর হয় এবং দিনটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রতি বছর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ইস্যুকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনা মহামারির পর বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে উপলব্ধি হয়েছে। ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সুস্থতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ই-হেলথ কার্ড ও স্বাস্থ্যবিমার মাধ্যমে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
আজ ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্যখাতে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে - ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’।দিবসটি উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরপেক্ষ পৃথিবী গড়ে তুলতে “এক স্বাস্থ্য” (ওয়ান হেলথ) ধারণা বাস্তবায়ন জরুরি, যেখানে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সুস্থতা পরস্পর নির্ভরশীল।’প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার স্বাস্থ্যসেবাকে আরো কার্যকর করতে পারে। তিনি ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতিতে গুরুত্ব দিয়ে সবার জন্য সহজ, সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।এছাড়া স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ, ই-হেলথ কার্ড চালু, স্বাস্থ্যবিমা সম্প্রসারণ, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জমান চৌধুরী।১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই বছরের জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই আইন কার্যকর হয় এবং দিনটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রতি বছর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ইস্যুকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনা মহামারির পর বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে উপলব্ধি হয়েছে। ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সুস্থতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ই-হেলথ কার্ড ও স্বাস্থ্যবিমার মাধ্যমে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা