ঢাকা    শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
গণবার্তা

হান্টাভাইরাস কভিড নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জাও নয়, এর ধরন একেবারেই আলাদা: ডব্লিউএইচও

হান্টাভাইরাস কভিড নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জাও নয়, এর ধরন একেবারেই আলাদা: ডব্লিউএইচও

আটলান্টিক মহাসাগরে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আরও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ায় ভাইরাসটির সংক্রমণ ও ঝুঁকি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। একই সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বিশ্বজুড়ে।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ সাফ জানিয়েছেন, এটি কভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ছড়ায় না। ভাইরাসটির সংক্রমণের ধরন একেবারেই আলাদা।

যা জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও বিশেষজ্ঞ

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে মারিয়া ভ্যান কেরখোভ জানান, হান্টাভাইরাসে সংক্রমিত জাহাজ এমভি হন্ডিয়াসের সবাইকে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে আসছেন বা তাদের সেবা দিচ্ছেন, তাদেরও আরও বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হান্টাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা রোগীদের সংস্পর্শে এসেছে, তারা সংক্রমিত হয়েছে কি হয়নি, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়।’

‘নতুন কভিড মহামারী নয়’

হান্টাভাইরাসের সঙ্গে কভিড-১৯ মহামারীর শুরুর সময়ের পার্থক্য নিয়ে মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, ‘এখনকার পরিস্থিতি ছয় বছর আগেকার পরিস্থিতির মতো নয়। আমি খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এটি নতুন কোনো কভিড মহামারীর শুরু নয়। এটি একটি প্রাদুর্ভাব, যা কেবল একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।’

হান্টাভাইরাস কী

হান্টাভাইরাস হচ্ছে একগুচ্ছ ভাইরাসের সমষ্টি, যা সাধারণত ইঁদুর বা এ জাতীয় ক্ষুদ্র প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ইঁদুরের লালা, মল-মূত্র বা এর বাসস্থানের ধূলিকণার সংস্পর্শে মানুষ এলে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা দেহে গুরুতর রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ১০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষ হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।

প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসে তিনজনের মৃত্যু উদ্বেগ বাড়ালেও ডব্লিউএইচও পরিষ্কার জানিয়েছে, এটি কভিড মহামারির মতো কিছু নয়। ভাইরাসটি ইঁদুরের সংস্পর্শে ছড়ায়, এক্ষেত্রে জাহাজের সংক্রমণ সীমিত পরিসরেই থাকবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে যারা সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬


হান্টাভাইরাস কভিড নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জাও নয়, এর ধরন একেবারেই আলাদা: ডব্লিউএইচও

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image
আটলান্টিক মহাসাগরে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আরও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ায় ভাইরাসটির সংক্রমণ ও ঝুঁকি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। একই সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বিশ্বজুড়ে।তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ সাফ জানিয়েছেন, এটি কভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ছড়ায় না। ভাইরাসটির সংক্রমণের ধরন একেবারেই আলাদা।যা জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও বিশেষজ্ঞগতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে মারিয়া ভ্যান কেরখোভ জানান, হান্টাভাইরাসে সংক্রমিত জাহাজ এমভি হন্ডিয়াসের সবাইকে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে আসছেন বা তাদের সেবা দিচ্ছেন, তাদেরও আরও বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।হান্টাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা রোগীদের সংস্পর্শে এসেছে, তারা সংক্রমিত হয়েছে কি হয়নি, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়।’‘নতুন কভিড মহামারী নয়’হান্টাভাইরাসের সঙ্গে কভিড-১৯ মহামারীর শুরুর সময়ের পার্থক্য নিয়ে মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, ‘এখনকার পরিস্থিতি ছয় বছর আগেকার পরিস্থিতির মতো নয়। আমি খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এটি নতুন কোনো কভিড মহামারীর শুরু নয়। এটি একটি প্রাদুর্ভাব, যা কেবল একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।’হান্টাভাইরাস কীহান্টাভাইরাস হচ্ছে একগুচ্ছ ভাইরাসের সমষ্টি, যা সাধারণত ইঁদুর বা এ জাতীয় ক্ষুদ্র প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ইঁদুরের লালা, মল-মূত্র বা এর বাসস্থানের ধূলিকণার সংস্পর্শে মানুষ এলে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা দেহে গুরুতর রোগ সৃষ্টি করতে পারে।বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ১০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষ হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসে তিনজনের মৃত্যু উদ্বেগ বাড়ালেও ডব্লিউএইচও পরিষ্কার জানিয়েছে, এটি কভিড মহামারির মতো কিছু নয়। ভাইরাসটি ইঁদুরের সংস্পর্শে ছড়ায়, এক্ষেত্রে জাহাজের সংক্রমণ সীমিত পরিসরেই থাকবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে যারা সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা