ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
গণবার্তা

পেন্টাগনের কম্পট্রোলার কংগ্রেসকে তথ্য দিলেন; ভ্যান্স-হেগসেথের মধ্যেও মতপার্থক্যের ইঙ্গিত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে, যার বেশিরভাগই খরচ হয়েছে অস্ত্রের পেছনে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) কংগ্রেসের কমিটির কাছে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।

কমিটির ডেমোক্র্যাটিক র্যাংকিং সদস্য অ্যাডাম স্মিথ জানতে চান, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ হয়েছে এবং আইনপ্রণেতারা পেন্টাগনের কাছ থেকে শিগগিরই খরচের একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেতে পারেন কিনা। শুনানিতে উপস্থিত পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট বলেন, ‘প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার’, যার বেশিরভাগ খরচই যুদ্ধাস্ত্রের জন্য।

এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, ‘আমি খুশি যে আপনি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, কারণ আমরা অনেক দিন ধরে এটি জানতে চাইছিলাম এবং কেউ আমাদের সঠিক সংখ্যাটি জানায়নি।’

পারমাণবিক হুমকি নিয়ে প্রশ্ন

তিনি তার পরের প্রশ্নটি যুদ্ধমন্ত্রী পিটার হেগসেথের দিকে ছুঁড়ে দেন। তিনি জানতে চান ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ করার জন্য সরকারের পরিকল্পনা কী।

জবাবে হেগসেথ পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোকে ‘খারাপ চুক্তি’ করার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং ২০১৬ সালে বারাক ওবামার অধীনে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ)-এর কথা উল্লেখ করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, ‘ওটা তো অতীত, ভবিষ্যৎ কী?’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন কোনো আসন্ন পারমাণবিক হুমকি ছিল কি না, যার জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। জবাবে হেগসেথ বলেন, ইরান ‘তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেনি’, যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে একযোগে পদক্ষেপ নিয়েছিল।

ট্রাম্পের দাবি: ‘আমরা জয় পেয়েছি’

গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতিমধ্যে আমাদের জয় এসে গেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি… বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার এবং বিভিন্ন সেনা-স্থাপনায় হামলা করেছি…’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিসিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রচুর ভুয়া সংবাদ ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো—আমরা জয় পেয়েছি এবং এত দ্রুত বিজয় আসায় পিট (হেগসেথ) খানিকটা হতাশ হয়েছে।’

তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ‘এই মুহূর্তে আমরা (ইরানের সঙ্গে) আলোচনার মধ্যে আছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। অবশ্য তারা এখন যে অবস্থায় আছে—সেই অবস্থায় থাকলে কে-ই বা না চাইতো? দেখুন, তারা নৌবাহিনী হারিয়েছে, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এক কথায়, যা ছিল—সব ধ্বংস হয়েছে।’

নিজ বক্তব্যে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা দেশটির নেতৃত্বে আছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’।

ভ্যান্স-হেগসেথের মধ্যে মতপার্থক্যের ইঙ্গিত

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আশঙ্কা করছেন, ইরান যুদ্ধ সম্পর্কে পেন্টাগন হয়তো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। তিনি জানতে চেয়েছেন, ট্রাম্পের সামনে যুদ্ধের যে উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে, তা কি সত্যিই সঠিক, নাকি পেন্টাগন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি গোপন করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্যান্স পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর আশঙ্কা, অস্ত্রের ঘাটতি ভবিষ্যতে চীন, উত্তর কোরিয়া বা রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

যুদ্ধের বর্তমান চিত্র

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, আইআরজিসি-র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। এছাড়া ইরানে নিহত হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ।

এদিকে সমানতালে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরানকে ১৫টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে আট সপ্তায় ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ফেলেছে, যা অস্ত্রের পেছনে ব্যয় হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ট্রাম্প প্রশাসন জয়ের দাবি করলেও দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজেই পেন্টাগনের তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন—এটি যুদ্ধের ভেতরেই একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা। ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকায় এই যুদ্ধ কখন থামে, সেটি এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব পৌঁছানোর পরও আলোচনায় কোনো অগ্রগতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে, যার বেশিরভাগই খরচ হয়েছে অস্ত্রের পেছনে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) কংগ্রেসের কমিটির কাছে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।কমিটির ডেমোক্র্যাটিক র্যাংকিং সদস্য অ্যাডাম স্মিথ জানতে চান, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ হয়েছে এবং আইনপ্রণেতারা পেন্টাগনের কাছ থেকে শিগগিরই খরচের একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেতে পারেন কিনা। শুনানিতে উপস্থিত পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট বলেন, ‘প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার’, যার বেশিরভাগ খরচই যুদ্ধাস্ত্রের জন্য।এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, ‘আমি খুশি যে আপনি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, কারণ আমরা অনেক দিন ধরে এটি জানতে চাইছিলাম এবং কেউ আমাদের সঠিক সংখ্যাটি জানায়নি।’পারমাণবিক হুমকি নিয়ে প্রশ্নতিনি তার পরের প্রশ্নটি যুদ্ধমন্ত্রী পিটার হেগসেথের দিকে ছুঁড়ে দেন। তিনি জানতে চান ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ করার জন্য সরকারের পরিকল্পনা কী।জবাবে হেগসেথ পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোকে ‘খারাপ চুক্তি’ করার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং ২০১৬ সালে বারাক ওবামার অধীনে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ)-এর কথা উল্লেখ করেন।এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, ‘ওটা তো অতীত, ভবিষ্যৎ কী?’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন কোনো আসন্ন পারমাণবিক হুমকি ছিল কি না, যার জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। জবাবে হেগসেথ বলেন, ইরান ‘তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেনি’, যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে একযোগে পদক্ষেপ নিয়েছিল।ট্রাম্পের দাবি: ‘আমরা জয় পেয়েছি’গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতিমধ্যে আমাদের জয় এসে গেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি… বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার এবং বিভিন্ন সেনা-স্থাপনায় হামলা করেছি…’ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিসিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রচুর ভুয়া সংবাদ ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো—আমরা জয় পেয়েছি এবং এত দ্রুত বিজয় আসায় পিট (হেগসেথ) খানিকটা হতাশ হয়েছে।’তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ‘এই মুহূর্তে আমরা (ইরানের সঙ্গে) আলোচনার মধ্যে আছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। অবশ্য তারা এখন যে অবস্থায় আছে—সেই অবস্থায় থাকলে কে-ই বা না চাইতো? দেখুন, তারা নৌবাহিনী হারিয়েছে, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এক কথায়, যা ছিল—সব ধ্বংস হয়েছে।’নিজ বক্তব্যে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা দেশটির নেতৃত্বে আছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’।ভ্যান্স-হেগসেথের মধ্যে মতপার্থক্যের ইঙ্গিতমার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আশঙ্কা করছেন, ইরান যুদ্ধ সম্পর্কে পেন্টাগন হয়তো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। তিনি জানতে চেয়েছেন, ট্রাম্পের সামনে যুদ্ধের যে উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে, তা কি সত্যিই সঠিক, নাকি পেন্টাগন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি গোপন করছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্যান্স পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর আশঙ্কা, অস্ত্রের ঘাটতি ভবিষ্যতে চীন, উত্তর কোরিয়া বা রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনতে পারে।যুদ্ধের বর্তমান চিত্রউল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, আইআরজিসি-র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। এছাড়া ইরানে নিহত হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ।এদিকে সমানতালে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরানকে ১৫টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে আট সপ্তায় ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ফেলেছে, যা অস্ত্রের পেছনে ব্যয় হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ট্রাম্প প্রশাসন জয়ের দাবি করলেও দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজেই পেন্টাগনের তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন—এটি যুদ্ধের ভেতরেই একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা। ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকায় এই যুদ্ধ কখন থামে, সেটি এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব পৌঁছানোর পরও আলোচনায় কোনো অগ্রগতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা