ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
গণবার্তা

গাজীপুরে পাঁচজনকে হত্যা: একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হচ্ছে

গাজীপুরে পাঁচজনকে হত্যা: একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হচ্ছে

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যা করেছেন ট্রাকচালক মো. ফোরকান মিয়া (৪০)। হত্যার পর তিনি এক আত্মীয়কে ফোন করে ঘটনাটি স্বীকার করেন।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে পুলিশ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২), এবং শ্যালক রসুল (২২)।

সরেজমিনে দেখা যায়, শারমিনকে জানালার গ্রিলে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যার পর অন্য চারজনকে বিছানায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি মরদেহের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজ পাওয়া যায়, যা প্রাথমিকভাবে মামলার নথিপত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বাড়ি থেকে মাদক সেবনের আলামতও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত শারমিনের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করতেন ফোরকান। তাদের ধারণা, মাদকাসক্ত অবস্থায় তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। প্রতিবেশীরাও জানান, দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই কলহ হতো।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, “ঘাতক ফোরকান হত্যার পর ফোনে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ চলছে। রহস্য উদ্ঘাটনে একাধিক সংস্থা কাজ করছে।”

বর্তমানে বাড়িটিতে সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফরেনসিক দল আলামত সংগ্রহ করছে। এ ঘটনায় গাজীপুর জেলাজুড়ে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


গাজীপুরে পাঁচজনকে হত্যা: একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যা করেছেন ট্রাকচালক মো. ফোরকান মিয়া (৪০)। হত্যার পর তিনি এক আত্মীয়কে ফোন করে ঘটনাটি স্বীকার করেন।শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে পুলিশ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২), এবং শ্যালক রসুল (২২)।সরেজমিনে দেখা যায়, শারমিনকে জানালার গ্রিলে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যার পর অন্য চারজনকে বিছানায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি মরদেহের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজ পাওয়া যায়, যা প্রাথমিকভাবে মামলার নথিপত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বাড়ি থেকে মাদক সেবনের আলামতও উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহত শারমিনের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করতেন ফোরকান। তাদের ধারণা, মাদকাসক্ত অবস্থায় তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। প্রতিবেশীরাও জানান, দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই কলহ হতো।গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, “ঘাতক ফোরকান হত্যার পর ফোনে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ চলছে। রহস্য উদ্ঘাটনে একাধিক সংস্থা কাজ করছে।” বর্তমানে বাড়িটিতে সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফরেনসিক দল আলামত সংগ্রহ করছে। এ ঘটনায় গাজীপুর জেলাজুড়ে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা