ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
গণবার্তা

জবাবদিহিতামূলক এলিট ফোর্স গঠনে নতুন আইন প্রণয়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জবাবদিহিতামূলক এলিট ফোর্স গঠনে নতুন আইন প্রণয়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে একটি আধুনিক ও পেশাদার এলিট ফোর্স গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার র‌্যাবের আইনি কাঠামোতে সংস্কার এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রবিবার (১৭ মে) দুপুরে রাজধানীর র‌্যাব সদর দপ্তরে বাহিনীর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, র‌্যাব পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আনসার, বিজিবি ও সিভিল স্টাফদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সম্মিলিত বাহিনী। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার এ প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কিছু কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের কারণে সমগ্র প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো প্রতিষ্ঠান নিতে পারে না। দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিজ নিজ বাহিনীর আইনি কাঠামোয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন আইন প্রণয়নের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ১৫–২০ বছর র‌্যাব কোনো স্বাধীন আইনের অধীনে না চলে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের বিশেষ ধারার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছিল। এটি একটি রাষ্ট্রীয় এলিট ফোর্সের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামো। এই ত্রুটি দূর করতে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের ‘আইন প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। নতুন আইনে বাহিনীর কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের পাশাপাশি কঠোর জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। আশা করা হচ্ছে, নতুন আইনে সংস্কারের পর র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করবে।

গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পূর্ববর্তী গুম কমিশনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি এখতিয়ার ছিল না। সরকার এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন ও শক্তিশালী করছে। এই আইনের সংস্কার সম্পন্ন হলে গুমের শিকার, হুমকিপ্রাপ্ত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিচার এই বিশেষ আদালতে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


জবাবদিহিতামূলক এলিট ফোর্স গঠনে নতুন আইন প্রণয়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image
সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে একটি আধুনিক ও পেশাদার এলিট ফোর্স গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার র‌্যাবের আইনি কাঠামোতে সংস্কার এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রবিবার (১৭ মে) দুপুরে রাজধানীর র‌্যাব সদর দপ্তরে বাহিনীর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, র‌্যাব পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আনসার, বিজিবি ও সিভিল স্টাফদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সম্মিলিত বাহিনী। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার এ প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কিছু কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের কারণে সমগ্র প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো প্রতিষ্ঠান নিতে পারে না। দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিজ নিজ বাহিনীর আইনি কাঠামোয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন আইন প্রণয়নের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ১৫–২০ বছর র‌্যাব কোনো স্বাধীন আইনের অধীনে না চলে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের বিশেষ ধারার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছিল। এটি একটি রাষ্ট্রীয় এলিট ফোর্সের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামো। এই ত্রুটি দূর করতে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের ‘আইন প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। নতুন আইনে বাহিনীর কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের পাশাপাশি কঠোর জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। আশা করা হচ্ছে, নতুন আইনে সংস্কারের পর র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করবে।গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পূর্ববর্তী গুম কমিশনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি এখতিয়ার ছিল না। সরকার এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন ও শক্তিশালী করছে। এই আইনের সংস্কার সম্পন্ন হলে গুমের শিকার, হুমকিপ্রাপ্ত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিচার এই বিশেষ আদালতে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা