ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরান মেট্রোতে ৭০ লাখ যাত্রী

খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরান মেট্রোতে ৭০ লাখ যাত্রী

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরান মেট্রোতে ৭০ লাখের বেশি ট্রিপ রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির আধ-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রোববার সকাল ৭টা পর্যন্ত তেহরান মেট্রো নেটওয়ার্কে ৭০ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেছেন। এই যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে। অনুষ্ঠানটি রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। তাসনিম জানিয়েছে, অনুষ্ঠানস্থলে সহজে পৌঁছাতে অংশগ্রহণকারীদের মেট্রো ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন আয়োজকেরা।

তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। জানাজার নামাজ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য নামাজ আদায় করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে তার পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল-হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেলের জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তার নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জন্য জানাজার নামাজ আদায় করা হয়।

এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ইরানের জনগণের প্রতি খামেনির গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন। খামেনি ইরানের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তার মৃত্যুতে দেশটিতে ব্যাপক শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানাজা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তেহরানে এসেছেন। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের চাপ সামলাতে তারা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। রোববার সকাল পর্যন্ত এই বিশাল সংখ্যক মানুষ নির্বিঘ্নে মেট্রো ব্যবহার করেছেন। ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় জানাজার নামাজ শেষে খামেনির মরদেহ দাফনের জন্য কোম ও মাশহাদে নেওয়া হবে। সেখানেও বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, খামেনির মৃত্যুতে দেশটিতে সাত দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের মিত্র দেশগুলোও শোক প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তবে ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমেছে। এই বিশাল জনসমাগম ইরানের জনগণের ঐক্য ও সংহতির পরিচয় বহন করছে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তার উত্তরসূরি হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নিয়েছেন। নতুন সর্বোচ্চ নেতা জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন। ইরানের ভবিষ্যৎ এখন এই নতুন নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে। তবে ইরানি জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে এই বিশাল সমাগম করেছে, যা ইরানের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। জানাজা অনুষ্ঠানের পর খামেনির মরদেহকে সর্বশেষ বিদায় জানাতে লক্ষাধিক মানুষ রাস্তায় নেমেছে। তাদের মধ্যে অনেকেই কাঁদছেন এবং খামেনির জন্য দোয়া করছেন। এই দৃশ্য ইরানের জনগণের আবেগপ্রবণতা ও খামেনির প্রতি তাদের অগাধ ভালোবাসার প্রমাণ। এখন খামেনির মৃত্যুতে ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কীভাবে প্রভাবিত হয়, সেদিকে সবার নজর থাকবে। তবে আপাতত ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ব্যস্ত। তাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। খামেনির বিদায়ে ইরানের জনগণ তাদের নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশ করেছে। এই ঘটনা ইরানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। এখন সময় বলবে, খামেনির আদর্শ ও নীতি ভবিষ্যতে ইরানের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে। তবে এই মুহূর্তে ইরানের জনগণ তাদের নেতাকে স্মরণ করছে এবং তার জন্য প্রার্থনা করছে। খামেনির মৃত্যু ইরানের জন্য একটি বড় ক্ষতি, কিন্তু তার আদর্শ চিরকাল বেঁচে থাকবে। ইরানি জনগণ তার পথ অনুসরণ করে আগামী দিনগুলোতে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরানের মানুষ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। খামেনির আত্মার শান্তি কামনা করছেন ইরানি জনগণ। তার বিদায়ে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গন শূন্য হয়ে পড়েছে, কিন্তু নতুন নেতৃত্ব এই শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করবে। ইরানের ভবিষ্যৎ এখন তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ওপর নির্ভর করছে। জনগণ তার প্রতি আস্থা রেখেছে এবং তারা আশা করছে, তিনি খামেনির পথ অনুসরণ করবেন। ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে এবং নতুন নেতাকে সমর্থন জানাতে প্রস্তুত। এই ঐক্য ও সংহতি ইরানের শক্তির প্রতীক। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের জনগণ এক হয়েছে এবং তারা তাদের দেশকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে। এই ঘটনা ইরানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এখন সময় বলবে, ইরান কীভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খায় এবং বিশ্ব পরিসরে তার অবস্থান তৈরি করে। তবে আপাতত ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং তার জন্য প্রার্থনা করছে। এই বিশাল জনসমাগম প্রমাণ করে, খামেনি শুধু একজন নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইরানি জনগণের হৃদয়ের একটি অংশ। তার মৃত্যুতে ইরানের জনগণ শোকাহত, কিন্তু তারা তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই প্রতিজ্ঞা ইরানের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যায়। খামেনির আত্মা শান্তিতে থাকুক। ইরানের জনগণ তার জন্য দোয়া করছে এবং তার পথ অনুসরণ করবে। এই প্রতিশ্রুতি ইরানের জনগণের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। তারা তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে এই বিশাল সমাগম করেছে, যা ইরানের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। এখন খামেনির বিদায়ের পর ইরান কীভাবে এগিয়ে যায়, সেদিকে সবার নজর থাকবে। তবে ইরানি জনগণ তাদের নেতার আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের জনগণ শোকাহত, কিন্তু তারা তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই প্রতিজ্ঞা ইরানের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


খামেনির শেষ বিদায়ে তেহরান মেট্রোতে ৭০ লাখ যাত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরান মেট্রোতে ৭০ লাখের বেশি ট্রিপ রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির আধ-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রোববার সকাল ৭টা পর্যন্ত তেহরান মেট্রো নেটওয়ার্কে ৭০ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেছেন। এই যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে। অনুষ্ঠানটি রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। তাসনিম জানিয়েছে, অনুষ্ঠানস্থলে সহজে পৌঁছাতে অংশগ্রহণকারীদের মেট্রো ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন আয়োজকেরা।তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। জানাজার নামাজ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য নামাজ আদায় করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে তার পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল-হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেলের জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তার নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জন্য জানাজার নামাজ আদায় করা হয়।এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ইরানের জনগণের প্রতি খামেনির গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন। খামেনি ইরানের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তার মৃত্যুতে দেশটিতে ব্যাপক শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানাজা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তেহরানে এসেছেন। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের চাপ সামলাতে তারা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। রোববার সকাল পর্যন্ত এই বিশাল সংখ্যক মানুষ নির্বিঘ্নে মেট্রো ব্যবহার করেছেন। ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় জানাজার নামাজ শেষে খামেনির মরদেহ দাফনের জন্য কোম ও মাশহাদে নেওয়া হবে। সেখানেও বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, খামেনির মৃত্যুতে দেশটিতে সাত দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের মিত্র দেশগুলোও শোক প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তবে ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমেছে। এই বিশাল জনসমাগম ইরানের জনগণের ঐক্য ও সংহতির পরিচয় বহন করছে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তার উত্তরসূরি হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নিয়েছেন। নতুন সর্বোচ্চ নেতা জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন। ইরানের ভবিষ্যৎ এখন এই নতুন নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে। তবে ইরানি জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে এই বিশাল সমাগম করেছে, যা ইরানের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। জানাজা অনুষ্ঠানের পর খামেনির মরদেহকে সর্বশেষ বিদায় জানাতে লক্ষাধিক মানুষ রাস্তায় নেমেছে। তাদের মধ্যে অনেকেই কাঁদছেন এবং খামেনির জন্য দোয়া করছেন। এই দৃশ্য ইরানের জনগণের আবেগপ্রবণতা ও খামেনির প্রতি তাদের অগাধ ভালোবাসার প্রমাণ। এখন খামেনির মৃত্যুতে ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কীভাবে প্রভাবিত হয়, সেদিকে সবার নজর থাকবে। তবে আপাতত ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ব্যস্ত। তাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। খামেনির বিদায়ে ইরানের জনগণ তাদের নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশ করেছে। এই ঘটনা ইরানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। এখন সময় বলবে, খামেনির আদর্শ ও নীতি ভবিষ্যতে ইরানের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে। তবে এই মুহূর্তে ইরানের জনগণ তাদের নেতাকে স্মরণ করছে এবং তার জন্য প্রার্থনা করছে। খামেনির মৃত্যু ইরানের জন্য একটি বড় ক্ষতি, কিন্তু তার আদর্শ চিরকাল বেঁচে থাকবে। ইরানি জনগণ তার পথ অনুসরণ করে আগামী দিনগুলোতে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরানের মানুষ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। খামেনির আত্মার শান্তি কামনা করছেন ইরানি জনগণ। তার বিদায়ে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গন শূন্য হয়ে পড়েছে, কিন্তু নতুন নেতৃত্ব এই শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করবে। ইরানের ভবিষ্যৎ এখন তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ওপর নির্ভর করছে। জনগণ তার প্রতি আস্থা রেখেছে এবং তারা আশা করছে, তিনি খামেনির পথ অনুসরণ করবেন। ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে এবং নতুন নেতাকে সমর্থন জানাতে প্রস্তুত। এই ঐক্য ও সংহতি ইরানের শক্তির প্রতীক। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের জনগণ এক হয়েছে এবং তারা তাদের দেশকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে। এই ঘটনা ইরানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এখন সময় বলবে, ইরান কীভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খায় এবং বিশ্ব পরিসরে তার অবস্থান তৈরি করে। তবে আপাতত ইরানের জনগণ তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং তার জন্য প্রার্থনা করছে। এই বিশাল জনসমাগম প্রমাণ করে, খামেনি শুধু একজন নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইরানি জনগণের হৃদয়ের একটি অংশ। তার মৃত্যুতে ইরানের জনগণ শোকাহত, কিন্তু তারা তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই প্রতিজ্ঞা ইরানের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যায়। খামেনির আত্মা শান্তিতে থাকুক। ইরানের জনগণ তার জন্য দোয়া করছে এবং তার পথ অনুসরণ করবে। এই প্রতিশ্রুতি ইরানের জনগণের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। তারা তাদের প্রয়াত নেতার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে এই বিশাল সমাগম করেছে, যা ইরানের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। এখন খামেনির বিদায়ের পর ইরান কীভাবে এগিয়ে যায়, সেদিকে সবার নজর থাকবে। তবে ইরানি জনগণ তাদের নেতার আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানের জনগণ শোকাহত, কিন্তু তারা তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই প্রতিজ্ঞা ইরানের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যায়।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা