গণবার্তা

যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানে পাকিস্তানকে ‘কার্যকর কাঠামো’ দিল ইরান

যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানে পাকিস্তানকে ‘কার্যকর কাঠামো’ দিল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি কার্যকর কাঠামো দিয়েছে ইরান। এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। আরাঘচি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, দেশটি সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এই কাঠামোর মধ্যে কোন বিষয়গুলো থাকতে পারে তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা না দিলেও তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাসনিমের তথ্যমতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও পাকিস্তান যেহেতু মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তাই যুদ্ধের অবসান নিয়ে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদে গেছেন আরাঘচি।

এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার। এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস প্রকাশিত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা দিয়েছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো আলোচনা অবশ্যই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির দিকে নিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে এই আলোচনায় তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানে পাকিস্তানকে ‘কার্যকর কাঠামো’ দিল ইরান

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি কার্যকর কাঠামো দিয়েছে ইরান। এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। আরাঘচি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, দেশটি সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।এই কাঠামোর মধ্যে কোন বিষয়গুলো থাকতে পারে তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা না দিলেও তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাসনিমের তথ্যমতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও পাকিস্তান যেহেতু মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তাই যুদ্ধের অবসান নিয়ে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদে গেছেন আরাঘচি।এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার। এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস প্রকাশিত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা দিয়েছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো আলোচনা অবশ্যই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির দিকে নিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে এই আলোচনায় তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা