ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
গণবার্তা

গণহত্যার বিচার ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ, বিক্ষোভ করবে ১১-দলীয় জোট

গণহত্যার বিচার ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ, বিক্ষোভ করবে ১১-দলীয় জোট

গণহত্যার বিচারের ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছে ১১-দলীয় জোট। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে তারা। সোমবার সকালে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর বিজয়নগরে প্রতিবাদ সমাবেশ ডেকেছে ১১-দলীয় জোট। যেখানে উপস্থিত থাকবেন জোটের শীর্ষ নেতারা। একই দাবিতে আগামী ৪ জুলাই সব জেলায় বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণাও দিয়েছে জোটটি। ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক বলেন, সীমান্তে প্রতিবেশী দেশ অস্ত্র মজুত করলেও তাতে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে এসব ঘটনায় ১১ দল উদ্বিগ্ন।

সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, কিন্তু তার বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা না হলে জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়েই চলেছে। অথচ প্রশাসন এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি প্রশাসনের প্রতি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমরা এভাবে চলতে দেব না। প্রশাসন যদি আমাদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না করে, তবে আমরা কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ এসময় তিনি বিজয়নগরে সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, এটা কোনো দলীয় কর্মসূচি নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। জোটের নেতারা মনে করছেন, গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে সরকারি পর্যায়ে চাপ প্রয়োগ প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণ নিজেরাই ন্যায়বিচার আদায়ে রাস্তায় নেমে আসবে। তবে সরকারি দলের কেউ এখনও এই অভিযোগের জবাব দেননি। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। আগামীকাল বিজয়নগরে সমাবেশ ও ৪ জুলাইয়ের বিক্ষোভ মিছিল ঘিরে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে ১১-দলীয় জোট বলছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করবে। প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এখন কী হয়, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


গণহত্যার বিচার ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ, বিক্ষোভ করবে ১১-দলীয় জোট

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image
গণহত্যার বিচারের ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছে ১১-দলীয় জোট। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে তারা। সোমবার সকালে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর বিজয়নগরে প্রতিবাদ সমাবেশ ডেকেছে ১১-দলীয় জোট। যেখানে উপস্থিত থাকবেন জোটের শীর্ষ নেতারা। একই দাবিতে আগামী ৪ জুলাই সব জেলায় বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণাও দিয়েছে জোটটি। ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক বলেন, সীমান্তে প্রতিবেশী দেশ অস্ত্র মজুত করলেও তাতে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে এসব ঘটনায় ১১ দল উদ্বিগ্ন।সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, কিন্তু তার বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা না হলে জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়েই চলেছে। অথচ প্রশাসন এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি প্রশাসনের প্রতি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমরা এভাবে চলতে দেব না। প্রশাসন যদি আমাদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না করে, তবে আমরা কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ এসময় তিনি বিজয়নগরে সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, এটা কোনো দলীয় কর্মসূচি নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। জোটের নেতারা মনে করছেন, গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে সরকারি পর্যায়ে চাপ প্রয়োগ প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণ নিজেরাই ন্যায়বিচার আদায়ে রাস্তায় নেমে আসবে। তবে সরকারি দলের কেউ এখনও এই অভিযোগের জবাব দেননি। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। আগামীকাল বিজয়নগরে সমাবেশ ও ৪ জুলাইয়ের বিক্ষোভ মিছিল ঘিরে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে ১১-দলীয় জোট বলছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করবে। প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এখন কী হয়, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা