ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
গণবার্তা

জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, এমন নিরাপত্তা কৌশল চান প্রধানমন্ত্রী

জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, এমন নিরাপত্তা কৌশল চান প্রধানমন্ত্রী

নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যস্ত করা প্রয়োজন, যাতে তা সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়—এমন নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি, জনগণ যাতে নিজেদেরকে সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার উপরে আমার আস্থা এবং নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।’ রোববার ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এবং পিজিআর সদর দপ্তরের একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া ৫ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

সশস্ত্র বাহিনীকে দেশ ও জনগণের সাহস ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রেখেছে। পিজিআরের কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন প্রশংসনীয়।’ ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সাইবার যুদ্ধসহ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক এবং প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সাহস, সততা ও বিশ্বস্ততা অপরিহার্য।’ প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে, তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কখনো হুমকির মুখে পড়বে না।’

প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। সাধারণত নিরাপত্তা বলেই আমরা কঠোরতা, বাধা ও দূরত্বকে বুঝি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, নিরাপত্তা যেন জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের বাধা না হয়ে ওঠে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের সঙ্গে শাসকের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিরাপত্তা কৌশলগুলোর মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানোর পথ যেন বন্ধ না হয়, সেদিকে নজর দিতে বলেছেন তিনি। পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্য সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এটি একটি দূরদর্শী নির্দেশনা, যা শাসক ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমাতে সহায়তা করবে। পিজিআর প্রধানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয় এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। তারা প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে, তারা তাদের দায়িত্ব অত্যন্ত সততার সঙ্গে পালন করবেন এবং জনগণের কাছে সরকারপ্রধানকে পৌঁছে দেওয়ার কাজে সহায়তা করবেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পিজিআরের সদস্যদের আন্তরিকতাও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই বাহিনী সর্বদা দেশের নিরাপত্তায় নিবেদিত। তাদের এই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব দেশের জন্য গর্বের বিষয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পিজিআর সদর দপ্তরের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কর্মরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের উৎসাহিত করেন এবং দেশের প্রতি তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পিজিআরের ভূমিকা ও গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা ভবিষ্যতে নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিরাপত্তার পাশাপাশি জনগণের স্বার্থও বিবেচনা করা হবে এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করতে এই নির্দেশনা সহায়ক হবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সত্যিই সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয়। তিনি জনগণের প্রতি তার দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা স্পষ্ট করেছেন। তার এই উদ্যোগ আগামী দিনে আরও আলোচিত হবে এবং অন্যান্য সরকারের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে। জনগণের সঙ্গে শাসকের সম্পর্ক উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, এই নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং জনগণের কাছে সরকারের পৌঁছানো সহজ হয়। তবে আপাতত প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং সবাই আশা করছেন, এটি বাস্তবায়িত হবে। পিজিআর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই বক্তব্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাহিনীটি যেমন দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তেমনি প্রধানমন্ত্রী চান তারা জনগণের সঙ্গেও সরকারের যোগাযোগ রক্ষায় সহায়তা করুক। এই দ্বৈত দায়িত্ব পালনে পিজিআর সদস্যরা সক্ষম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধানমন্ত্রীর এই দিকনির্দেশনা আগামী দিনে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করবে। জনগণের কাছে সরকারপ্রধানকে পৌঁছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করা যায়, এই উদ্যোগ জনগণের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা বাড়াবে এবং গণতন্ত্রের চর্চা আরও সুদৃঢ় হবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এটি প্রমাণ করে, তিনি জনগণের কাছাকাছি থাকতে চান এবং তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে আগ্রহী। এই আগ্রহ ভবিষ্যতে আরও উন্নয়ন ও সংস্কারের পথ তৈরি করবে। জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা—উভয়কেই গুরুত্ব দিয়ে এই ভারসাম্য রক্ষা করা একটি চ্যালেঞ্জ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে। তার এই প্রস্তুতি দেশের জন্য শুভ লক্ষণ। এখন সময় বলবে, এই নির্দেশনা কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং জনগণের কাছে তা কী প্রভাব ফেলে। তবে আপাতত এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন সবাই। তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই চিন্তা ভবিষ্যতে আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে জনগণ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। তাহলেই গণতন্ত্র সফল হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গি সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী। এটি আগামী দিনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। এখন সেই দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের পালা। সংশ্লিষ্ট সবাই এই কাজে আন্তরিক হলে দেশ অবশ্যই উপকৃত হবে। সব মিলিয়ে, এটি একটি ইতিবাচক শুরু। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত যাতে জনগণ ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব না বাড়ে। প্রধানমন্ত্রী সেটি বুঝতে পেরেছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার এই পদক্ষেপ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এখন এই পদক্ষেপের সফল বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছেন সবাই।‍

আপনার মতামত লিখুন

গণবার্তা

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, এমন নিরাপত্তা কৌশল চান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যস্ত করা প্রয়োজন, যাতে তা সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়—এমন নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি, জনগণ যাতে নিজেদেরকে সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার উপরে আমার আস্থা এবং নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।’ রোববার ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এবং পিজিআর সদর দপ্তরের একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া ৫ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।সশস্ত্র বাহিনীকে দেশ ও জনগণের সাহস ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রেখেছে। পিজিআরের কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন প্রশংসনীয়।’ ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সাইবার যুদ্ধসহ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক এবং প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সাহস, সততা ও বিশ্বস্ততা অপরিহার্য।’ প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে, তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কখনো হুমকির মুখে পড়বে না।’প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। সাধারণত নিরাপত্তা বলেই আমরা কঠোরতা, বাধা ও দূরত্বকে বুঝি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, নিরাপত্তা যেন জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের বাধা না হয়ে ওঠে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের সঙ্গে শাসকের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিরাপত্তা কৌশলগুলোর মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানোর পথ যেন বন্ধ না হয়, সেদিকে নজর দিতে বলেছেন তিনি। পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্য সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এটি একটি দূরদর্শী নির্দেশনা, যা শাসক ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমাতে সহায়তা করবে। পিজিআর প্রধানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয় এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। তারা প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে, তারা তাদের দায়িত্ব অত্যন্ত সততার সঙ্গে পালন করবেন এবং জনগণের কাছে সরকারপ্রধানকে পৌঁছে দেওয়ার কাজে সহায়তা করবেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পিজিআরের সদস্যদের আন্তরিকতাও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই বাহিনী সর্বদা দেশের নিরাপত্তায় নিবেদিত। তাদের এই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব দেশের জন্য গর্বের বিষয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পিজিআর সদর দপ্তরের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কর্মরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের উৎসাহিত করেন এবং দেশের প্রতি তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পিজিআরের ভূমিকা ও গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা ভবিষ্যতে নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিরাপত্তার পাশাপাশি জনগণের স্বার্থও বিবেচনা করা হবে এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করতে এই নির্দেশনা সহায়ক হবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সত্যিই সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয়। তিনি জনগণের প্রতি তার দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা স্পষ্ট করেছেন। তার এই উদ্যোগ আগামী দিনে আরও আলোচিত হবে এবং অন্যান্য সরকারের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে। জনগণের সঙ্গে শাসকের সম্পর্ক উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, এই নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং জনগণের কাছে সরকারের পৌঁছানো সহজ হয়। তবে আপাতত প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং সবাই আশা করছেন, এটি বাস্তবায়িত হবে। পিজিআর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই বক্তব্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাহিনীটি যেমন দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তেমনি প্রধানমন্ত্রী চান তারা জনগণের সঙ্গেও সরকারের যোগাযোগ রক্ষায় সহায়তা করুক। এই দ্বৈত দায়িত্ব পালনে পিজিআর সদস্যরা সক্ষম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধানমন্ত্রীর এই দিকনির্দেশনা আগামী দিনে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করবে। জনগণের কাছে সরকারপ্রধানকে পৌঁছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করা যায়, এই উদ্যোগ জনগণের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা বাড়াবে এবং গণতন্ত্রের চর্চা আরও সুদৃঢ় হবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এটি প্রমাণ করে, তিনি জনগণের কাছাকাছি থাকতে চান এবং তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে আগ্রহী। এই আগ্রহ ভবিষ্যতে আরও উন্নয়ন ও সংস্কারের পথ তৈরি করবে। জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা—উভয়কেই গুরুত্ব দিয়ে এই ভারসাম্য রক্ষা করা একটি চ্যালেঞ্জ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে। তার এই প্রস্তুতি দেশের জন্য শুভ লক্ষণ। এখন সময় বলবে, এই নির্দেশনা কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং জনগণের কাছে তা কী প্রভাব ফেলে। তবে আপাতত এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন সবাই। তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই চিন্তা ভবিষ্যতে আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে জনগণ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। তাহলেই গণতন্ত্র সফল হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গি সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী। এটি আগামী দিনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। এখন সেই দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের পালা। সংশ্লিষ্ট সবাই এই কাজে আন্তরিক হলে দেশ অবশ্যই উপকৃত হবে। সব মিলিয়ে, এটি একটি ইতিবাচক শুরু। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত যাতে জনগণ ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব না বাড়ে। প্রধানমন্ত্রী সেটি বুঝতে পেরেছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার এই পদক্ষেপ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এখন এই পদক্ষেপের সফল বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছেন সবাই।‍

গণবার্তা

সম্পাদকঃ নূর মোহাম্মদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত গণবার্তা